ছবিঃ সংগৃহীত
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ফার্মাসিউটিক্যাল খাতগুলোকে সরকারি নিয়ন্ত্রণমুক্ত করতে হবে। তিনি বলেন, "বাংলাদেশে প্রাইভেট হাসপাতাল, ফার্মাসিউটিক্যাল খাতগুলোকে সরকারি নিয়ন্ত্রণমুক্ত করতে হবে। বেসরকারি খাতের হাসপাতাল ও ফার্মাসিটিক্যালগুলোকে সরকারি নিয়ন্ত্রণমুক্ত করে দিন। বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে সরকারি নিয়ন্ত্রণ।"
স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং সংস্কারের জন্য প্রাইভেট হাসপাতালগুলোকে স্বনিয়ন্ত্রণের (সেলফ রেগুলেশন) সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "এ দেশ সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রিত। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ডি-রেগুলেটেড করার। অনেকের হয়তো নিয়ন্ত্রণ চলে যাচ্ছে বলে মনে হতে পারে। কিন্তু ডি-রেগুলেটেড ও স্বাধীনতা দিতে আমরা এগোচ্ছি। বেসরকারি খাতের যে হাসপাতাল, ক্লিনিক আছে, তাদের স্বনিয়ন্ত্রণের সুযোগ করে দিন। এটি সারা দুনিয়ায় আছে। সরকার সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে না। শুধু বাংলাদেশে এমনটি হয়। এখান থেকে বের আসতে হবে। আমাদেরকে স্বনিয়ন্ত্রণের দিকে যেতে হবে। বাংলাদেশে যেখানে যত বেশি নিয়ন্ত্রণ, সেখানে তত বেশি দুর্নীতি। এ নিয়ন্ত্রণ আনা হয় দুর্নীতির জন্য।"
তিনি আরো বলেন, "আমরা (বিএনপি) সেলফ রেগুলেশনের দিতে যাচ্ছি। আপনাদের অনুরোধ করব পূর্ব প্রস্তুতি নেন। সেজন্য যে সক্ষমতার দরকার সেটা তৈরি করুন। মনে রাখতে হবে, প্রচলিত বিনিয়োগ নীতি থেকে বের হয়ে আসতে হবে। নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা থেকে বের হতে হবে।"
বিএনপি সরকারের সময় স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বিনিয়োগ রাখার কথা জানিয়ে আমীর খসরু বলেন, "প্রাথমিক ও প্রতিষেধক স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বিনিয়োগ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা (বিএনপি) একটি স্বাস্থ্য নীতি নিয়ে আসছি। আগামীতে এ খাতে জিডিপির ৫ শতাংশের ওপরে ব্যয় করা হবে। মানুষকে বিনামূল্যে প্রাথমিক ও প্রতিষেধক সেবা দিতে পারলে সামাজিক সুরক্ষায় খরচ কমে যাবে। একজন মানুষ যদি তার পরিবারের খরচ কমাতে পারে তাহলে তার জীবনব্যবস্থা, জীবননির্বাহ সহজ হবে। আমরা হিসাব করেই সে নীতি নিতে যাচ্ছি।"
আরও পড়ুন