ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ
মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টরা ঔষধ প্রেসক্রাইব করতে পারবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ। ডক্টর টিভিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।
সম্প্রতি মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টদের বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন সম্পর্কে জানতে চাইলে অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ বলেন, একটা সময় দেশে যথেষ্ট সংখ্যক এমবিবিএস ও বিডিএস ডাক্তার ছিলেন না, তখন সময়ের প্রয়োজনে মেডিকেলের শর্টকোর্স দরকার ছিল। বর্তমানে এ ধরনের কোর্স চালু রাখা আদৌ প্রয়োজন আছে কি-না সেটা নিয়ে ভাবতে হবে। কারণ এখন দেশে বিপুল সংখ্যক এমবিবিএস ও বিডিএস ডাক্তার রয়েছেন। জনগণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে তাদেরকে উপযুক্ত সুবিধাসহ স্বাস্থ্যপ্রতিষ্ঠান-গুলোকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিগ্রিধারীদের জন্য ইউনিয়ন সাবসেন্টার ও কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যায়। তারা এমবিবিএস/বিডিএস চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে কাজ করবেন। চিকিৎসকদের দেয়া প্রেসক্রিপশন বা নির্দেশমাফিক রোগীদের প্রাথমিক সেবায় যাবতীয় আনুষঙ্গিক কাজ করবেন। চিকিৎসক হিসেবে একটা বিষয় স্পষ্ট করতে চাই, এমবিবিএস বিডিএস ছাড়া কেউ নামের আগে ডাক্তার (ডা.) পদবি ব্যবহার করতে পারবে না। তারা ঔষধ প্রেসক্রাইবও করতে পারবেন না। ইদানিং সভা-সমাবেশ করে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টরা নামের আগে ডাক্তার পদবি ও রোগী দেখার, প্রেসক্রিপশন করার দাবি করছেন- যেটা BMDC এর নিয়ম বিরুদ্ধ এবং আইন পরিপন্থী যা কোনভাবেই মানা যায় না।
‘মেডিকেল ট্রেনিং স্কুল’ এর নাম পরিবর্তন করে ‘ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল ফ্যাকাল্টি কোর্স’ করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পত্রের বিষয়ে মতামত জানতে চাইলে ড্যাব সভাপতি বলেন, এ বিষয়ে কোন তথ্য আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে কথা বলতে পারবো।
আরও পড়ুন