Ad
Advertisement
Doctor TV

সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬


ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসের প্রথম শনিবার ‘ক্লিনিং ডে’ পালন করা হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক

Main Image

সংগ্রহীত


ডেঙ্গু প্রতিরোধ, জলাবদ্ধতা নিরসন ও নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রতি মাসের প্রথম শনিবার ‘ক্লিনিং ডে’ হিসেবে পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম।

তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশন ও নগরবাসী যদি নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে, তাহলে আগামী দুই বছরের মধ্যেই রাজধানীতে দৃশ্যমান পরিবর্তন সম্ভব।

আজ সোমবার নগরভবনে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

 

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, বিশ্বের দূষিত শহর, যানজট এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নেতিবাচক সূচকে ঢাকার অবস্থান কোনোভাবেই কাম্য নয়। রাজধানীকে একটি আধুনিক, নিরাপদ ও নাগরিকবান্ধব শহরে রূপান্তর করতে সিটি কর্পোরেশনকে আরও কার্যকর, জবাবদিহিমূলক এবং সেবামুখী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

তিনি বলেন, একটি শহরকে বদলে দিতে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; নাগরিকদেরও সমানভাবে দায়িত্বশীল হতে হবে। তার ভাষায়, ‘আমি সবসময় বলি ৫০ শতাংশ দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশনের, আর ৫০ শতাংশ দায়িত্ব জনগণের। এই দুই পক্ষ যদি শতভাগ দায়িত্ব পালন করে, তাহলে ঢাকাকে বদলে দেওয়া সম্ভব।’

 

আব্দুস সালাম বলেন, একটি আধুনিক নগরের মৌলিক সেবাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা, নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা। কোথাও স্ট্রিট লাইট ১৫ দিন, এক মাস কিংবা তারও বেশি সময় ধরে বিকল অবস্থায় পড়ে থাকা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। একইভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অবহেলা বা দায়িত্বে গাফিলতি সহ্য করা হবে না।

তিনি জানান, দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা যদি নিয়মিত ও সঠিকভাবে কাজ করেন, তাহলে নগরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা কঠিন নয়। তবে এ ক্ষেত্রে নাগরিকদেরও দায়িত্ব রয়েছে। যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলার প্রবণতা বন্ধ করতে হবে। বর্তমানে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বর্জ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা রয়েছে। বাজার ও বাণিজ্যিক এলাকার জন্যও নির্ধারিত বর্জ্য ফেলার স্থান রয়েছে। এসব নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করলে রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা অনেকাংশেই নিশ্চিত করা সম্ভব।

 

রাজধানীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার বিষয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ঢাকার বহু খাল বছরের পর বছর ধরে দখল, ভরাট এবং অব্যবস্থাপনার কারণে সংকুচিত হয়ে গেছে। অনেক খালের প্রস্থ ৪০ থেকে ৫০ ফুট থেকে কমে মাত্র ১০ থেকে ১৫ ফুটে নেমে এসেছে। আবার অনেক খাল প্লাস্টিক ও বিভিন্ন ধরনের বর্জ্যে ভরে কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে। ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

আরও পড়ুন