




বন্ধ হচ্ছে না আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ, তবে অন্য বেসরকারি মেডিকেলের সঙ্গে চুক্তির নির্দেশ!
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল হওয়ায় আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি হওয়া ধোঁয়াশা কাটাতে উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীদের ক্লিনিক্যাল ও ব্যবহারিক শিক্ষা যেন ব্যাহত না হয়, সেজন্য তাদের অন্য কোনো বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে সংযুক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (১৪ জুন) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. রুবীনা ইয়াসমীন গণমাধ্যমকে এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আইনি বাধ্যবাধকতা ও কারিকুলাম অনুযায়ী, বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজ আইন, ২০২২-এর ৬ ধারা মোতাবেক প্রতিটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের নিজস্ব হাসপাতাল থাকা বাধ্যতামূলক। এছাড়া মেডিকেল শিক্ষার তৃতীয় বর্ষ থেকেই শিক্ষার্থীদের হাসপাতালে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ শুরু হয় এবং এমবিবিএস পাসের পর এক বছরের বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপ করতে হয়। আদ্-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিলের পর এই পুরো প্রক্রিয়াটি সংকটে পড়ায় বিরোধীদলীয় নেতাসহ বিভিন্ন মহল থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে অধ্যাপক ডা. রুবীনা ইয়াসমীন স্পষ্ট করেছেন যে, হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল হলেও মেডিকেল কলেজটি বন্ধ হচ্ছে না এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও প্রশিক্ষণ সচল রাখতেই এই বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
নতুন এই নির্দেশনা অনুযায়ী, আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে যেকোনো একটি বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করে তা অধিদপ্তরকে জানাতে হবে। চুক্তিভুক্ত হাসপাতালে শিক্ষার্থীদের আনা-নেওয়ার পুরো দায়িত্ব কলেজ কর্তৃপক্ষকেই বহন করতে হবে। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের সূত্র মতে, সরকারি কোনো সাধারণ বা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ আদ্-দ্বীন পাচ্ছে না, ফলে বাধ্যতামূলকভাবে তাদের অন্য কোনো উপযুক্ত বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গেই এই চুক্তি সম্পন্ন করতে হবে।
আরও পড়ুন