Back to home

স্বাস্থ্য টিপস

যাদের জন্য নিরাপদ নয় ড্রাগন ফল

ড্রাগন খাওয়ার পর শরীরে লালচে ফুসকুড়ি বা আমবাত, অতিরিক্ত চুলকানি কিংবা ঠোঁট, জিহ্বা ও গলা ফুলে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে এটি খাওয়া বন্ধ করতে হবে

ড

ডেস্ক রিপোর্ট

August 22, 2026

যাদের জন্য নিরাপদ নয় ড্রাগন ফল
ফাইল ছবি

অত্যন্ত পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর একটি ফল ড্রাগন। তবে নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য এটি খাওয়া নিরাপদ নাও হতে পারে। বিশেষ করে যাদের অ্যালার্জি রয়েছে কিংবা গুরুতর হজমের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের ড্রাগন ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা উচিত।

অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে ড্রাগন ফল খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। ড্রাগন ফল খাওয়ার পর শরীরে লালচে ফুসকুড়ি বা আমবাত, অতিরিক্ত চুলকানি কিংবা ঠোঁট, জিহ্বা ও গলা ফুলে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে এটি খাওয়া বন্ধ করতে হবে এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

খালি পেটে সাদা মাখন খাওয়া উপকারী নাকি ক্ষতিকর?
আরও পড়ুন খালি পেটে সাদা মাখন খাওয়া উপকারী নাকি ক্ষতিকর?

দেশের বিভিন্ন এলাকায় এখন সারা বছরই ড্রাগন ফল পাওয়া যায়। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ফাইবার, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। প্রতি ১০০ গ্রাম ড্রাগন ফলে প্রায় ৬০ কিলোক্যালরি শক্তি, ১৩ থেকে ১৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৩ গ্রাম ফাইবার এবং ১ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। এত পুষ্টিগুণ থাকা সত্ত্বেও ফলটি সবার জন্য সমানভাবে নিরাপদ নয়।

বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের অতিরিক্ত ড্রাগন ফল খাওয়া উচিত নয়। যারা রক্তে শর্করা কমানোর ওষুধ খান বা ইনসুলিন ব্যবহার করেন, তারা ড্রাগন ফল খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা অতিরিক্ত কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে। তাই ডায়াবেটিস থাকলে নিজের খাদ্যতালিকা অনুযায়ী কতটুকু ড্রাগন ফল খাওয়া নিরাপদ, তা চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের কাছ থেকে জেনে নেওয়া ভালো। কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রেও ড্রাগন ফল খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। কিডনি ঠিকমতো কাজ না করলে শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে ফলের মধ্যে থাকা পটাশিয়ামের পরিমাণও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

গরম খাবার ফ্রিজে রাখলে সে সমস্যাগুলো না জানলেই বিপদ
আরও পড়ুন গরম খাবার ফ্রিজে রাখলে সে সমস্যাগুলো না জানলেই বিপদ

তবে কিডনি রোগীদের ড্রাগন ফল সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলতে হবে—এমন নয়। কিডনির রোগের ধরন, রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা এবং রোগী কী ধরনের ওষুধ গ্রহণ করছেন, এসব বিষয় বিবেচনা করে চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন কতটুকু ড্রাগন ফল খাওয়া যাবে। এ ছাড়া গর্ভবতী নারী ও স্তন্যদানকারী মায়েরা পরিমাণমতো ড্রাগন ফল খেতে পারেন। তবে একসঙ্গে অতিরিক্ত ফল খাওয়া ঠিক নয়।

কোনো শারীরিক জটিলতা না থাকলে পরিমিত পরিমাণে ড্রাগন ফল খাওয়া যেতে পারে। তবে অ্যালার্জি, ডায়াবেটিস, কিডনি রোগ বা অন্য কোনো দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক সমস্যা থাকলে নিয়মিত খাদ্যতালিকায় ড্রাগন ফল রাখার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

Share

আরও জানুন

ত্বকে আঁচিল কি বড় কোনো রোগের লক্ষণ?
স্বাস্থ্য

ত্বকে আঁচিল কি বড় কোনো রোগের লক্ষণ?

দীর্ঘদিন ধরে এই পরিস্থিতিকে অবহেলা করলে তা শরীরে একাধিক জটিল রোগের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

ডেস্ক রিপোর্ট 27 Sep
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা: কখন জরুরি চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন?
স্বাস্থ্য

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা: কখন জরুরি চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন?

অধিকাংশ মানুষের ক্ষেত্রেই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা প্রাথমিক অবস্থায় তীব্র আকার ধারণ করে না। সঠিক সময়ে সুশৃঙ্খল জীবনযাপন এবং সাধারণ চিকিৎসায় এটি দ্রুত নিরাময় সম্ভব।

ডেস্ক রিপোর্ট 27 Sep
বিদেশি দামি ফলের পরিবর্তে বহুগুণ পুষ্টি পাবেন যে ফলে
স্বাস্থ্য

বিদেশি দামি ফলের পরিবর্তে বহুগুণ পুষ্টি পাবেন যে ফলে

স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার মানেই যে বিদেশি বা দামি হতে হবে, এমন নয়। আমাদের হাতের কাছে থাকা পরিচিত পেয়ারা হতে পারে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকার অন্যতম সেরা পুষ্টিকর বিকল্প।

ডেস্ক রিপোর্ট 26 Sep
স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পরও পেট ফাঁপার কারণ
স্বাস্থ্য

স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পরও পেট ফাঁপার কারণ

একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দিনে প্রায় ৩০ গ্রাম ফাইবার খাওয়া প্রয়োজন, যা ধাপে ধাপে পূরণ করা ভালো।

ডেস্ক রিপোর্ট 26 Sep