দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর নতুন করে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে মালয়েশিয়াগামী বাংলাদেশি কর্মীদের বাধ্যতামূলক স্বাস্থ্য পরীক্ষা। ঢাকাসহ সারাদেশের অনুমোদিত হাসপাতালগুলোতে এই পরীক্ষা কার্যক্রম একযোগে চলছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) থেকে সরকারি নির্দেশনা মেনে দেশের অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারগুলোতে এই কার্যক্রম একযোগে চালু করা হয়। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় মেডিকেল পরীক্ষার ফি জনপ্রতি সর্বোচ্চ আট হাজার টাকা নির্ধারণ করেছে।

মালয়েশিয়াগামী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়ম এবং অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়ের অভিযোগে ২০২৪ সালের ৩১ মে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়া সাময়িকভাবে স্থগিত করে মালয়েশিয়া সরকার। দীর্ঘদিন পর দুই দেশের সরকারের যৌথ কূটনৈতিক প্রচেষ্টার উদ্যোগে পুনরায় এই শ্রমবাজার উন্মুক্ত হয়েছে।
নতুন এই চুক্তি কাঠামো অনুযায়ী, মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ এবার বাংলাদেশের ২৫টি প্রধান রিক্রুটিং এজেন্সি ও ৩১২টি সহযোগী এজেন্সির পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বোয়েসেলকে কর্মী পাঠানোর অনুমোদন দিয়েছে।
শ্রমবাজারকে সম্পূর্ণ সিন্ডিকেটমুক্ত করতে সরকার বেশ কিছু কঠোর নীতিমালা গ্রহণ করেছে।

ঢাকার যেসব মেডিকেল সেন্টারে করা যাবে পরীক্ষা:
ঢাকার ১৭টি সেন্টারে করা যাবে এই পরীক্ষা। হাসপাতালগুলো হলো,
ফেমাস স্পেশালাইজড হসপিটাল, এশিয়া ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল সেন্টার লিমিটেড, গ্লোবাল মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড, হিউম্যান ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল সেন্টার, ইবনে ওমর মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আইডিয়াল ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল সেন্টার, জান্নাহ মেডিকেল সার্ভিসেস, ল্যাব সায়েন্স ডায়াগনস্টিক, লিডিং হেলথ চেক আপ লিমিটেড, পারফেক্ট মেডিকেয়ার লিমিটেড, পুষ্প ক্লিনিক, সানলাইট ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল লিমিটেড, মেডিনেট মেডিকেল সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেড, ডায়নামিক ল্যাব, ইউনিক্যার মেডিকেল সার্ভিসেস ও গ্রীনল্যান্ড মেডিকেল সেন্টার লিমিটেড।