
ছবি: সংগৃহীত
দেশের চিকিৎসকদের মেধা ও সক্ষমতার প্রশংসা করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যে অবদান রাখছেন চিকিৎসকরা। দেশের ১১টি জেলায় অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যায় এবং বন্যা পরবর্তী ডায়রিয়া, কলেরা, চর্মরোগ ও সাপের কামড়ের চিকিৎসায় ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নিজেদের ছুটি ভুলে রাতদিন সেবা দিয়েছেন।
গতকাল বুধবার (২২ জুলাই) রাতে রাজধানীর গুলশান ক্লাবে ‘ঢাকায় স্মাইল এশিয়ার ৮ম আন্তর্জাতিক ফ্রেন্ডশিপ মেডিকেল মিশন উপলক্ষে আয়োজিত গালা ডিনার’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে দেশীয় চিকিৎসকদের উদ্ভাবিত পদ্ধতির মাধ্যমে দেশের দূরদূরান্তের জেলাগুলোতেও ৪ থেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে ত্বক পৌঁছে দিয়ে পোড়া রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।
সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের উদ্যোগে স্মাইল এশিয়া, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, ঢাকা ব্যাংক এবং সাজেদা ফাউন্ডেশনের ‘নতুন হাসির অঙ্গীকারে’ শীর্ষক সফল কর্মসূচি উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে ঠোঁট ও তালুকাটা রোগী ৬৯ জন শিশুকে বিনামূল্যে অস্ত্রোপচার করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশে ঠোঁটকাটা-তালুকাটা শিশুদের পুনর্বাসনে জাতীয় কর্মসূচি পালন করার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, জন্মগতভাবে ঠোঁটকাটা বা তালুকাটা সমস্যা নিয়ে জন্মানো শিশুদের অসহায়ত্ব ও আবেগ দেখে যে কারও হৃদয় কেঁদে ওঠে। কিন্তু অভিজ্ঞ চিকিৎসক, অ্যানেসথেসিওলজিস্ট ও নার্সদের সমন্বয়ে গঠিত দলটি এই শিশুদের মুখে আবার হাসি ফুটিয়ে তুলেছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের পূর্ণ সহযোগিতায় এই বিদেশি বিশেষজ্ঞ দলটি ঠোঁটকাটা ও তালুকাটা শিশুদের সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হয়েছে।
স্মাইল এশিয়া ও সাজিদা ফাউন্ডেশনকে পুনরায় এই ধরনের কর্মসূচি হাতে নেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তারা পরবর্তীতে (স্মাইল এশিয়া) এলে সরকার একে একটি জাতীয় কর্মসূচিতে রূপ দেবে। যেন আরও বড় পরিসরে দেশের মানুষের সেবা করা যায়।
আরও পড়ুন