
ছবি: সংগৃহীত
হেপাটাইটিস থেকে বেঁচে থাকতে হলে সবার আগে সচেতনতা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। তারা জানান, হেপাটাইটিস ‘বি’র বিরুদ্ধে কার্যকর টিকা রয়েছে। এই টিকা একবার গ্রহণ করা হলে আজীবন সুরক্ষা পাওয়া যায়।
বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস উদযাপন উপলক্ষে মিনার্ভা হাসপাতালে অনুষ্ঠিত সচেতনতামূলক সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা এসব কথা জানান।
আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া হাসপাতালের উদ্যোগে ফ্রি স্ক্রিনিংও করা হয়।
আজ সকাল ৯টায় ফ্রি স্ক্রিনিং টেস্ট শুরু হয়, বেলা ২টায় হাসপাতাল থেকে একটি র্যালি রাজধানীর শান্তিনগর এলাকা প্রদক্ষিণ করে কাকরাইল মোড়ে এসে সমাপ্ত হয়। পরবর্তী সময়ে সচেতনতামূলক সেমিনার এবং উপস্থিত রোগী ও স্বজনদের প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে শেষ হয়।
সেমিনারে উপস্থিত হেপাটোলজি বিশেষজ্ঞ সহযোগী অধ্যাপক ডা. এম সাঈদুল হক বলেন, হেপাটাইটিস ‘বি’ শনাক্ত হলেই সাথে সাথে ওষুধ শুরু করা উচিত নয়। ডিএনএ, এনজাইম, আল্ট্রাসনোগ্রাম ও ফাইব্রোস্ক্যান টেস্টের মাধ্যমে সঠিকভাবে রোগটি নির্ণয় করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ধারাবাহিক চিকিৎসার পাশাপাশি কিছু অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে; যেমন মদ্যপান। ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতিত ব্যথানাশক ওষুধও সেবন করা যাবে না।
বারডেম হসপাতালের পেডিয়াট্রিক বিভাগের অধ্যাপক ডা. জেবুন নাহার বলেন, শিশুদের হেপাটাইটিসে অভিভাবকদের সর্বাগ্নে সতেচন ও সতর্ক হতে হবে। সন্তানের জীবন রক্ষার্থে পিতামাতাকে আগে চিকিৎসা গ্রহণ করে হেপাটাইটিস ‘বি’ মুক্ত থাকতে হবে।
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. মমতাজুল হক বলেন, হেপাটাইটিস ‘বি’র টিকা একটি নিরাপদ ও কার্যকরী চিকিৎসা। এই টিকা প্রায় ৯৫ শতাংশেরও বেশি ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষা প্রদান করে থাকে। এই টিকা বিশ্বে কোটি কোটি মানুষের ওপর প্রয়োগ করা হয়েছে। গত কয়েক দশক ধরে এর নিরাপত্তা ও কার্যকরিতা প্রমাাণিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গাইনি বিভাগের অধ্যাপক ডা. শামীমা সুলতানা, ডা. ফারহানুল জান্নাত, ডা. লুৎফুন নাহার মুক্তা, ডা. তন্বী সাহা, ডা. আশরাফুল আলম প্রমুখ।
আরও পড়ুন