
যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দিন ফরিদ © সংগৃহীত
দেশের স্বাস্থ্য খাত নিয়ে জাতীয় সংসদে দেওয়া আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের বক্তব্যে দুটি ‘ভুল তথ্য’ ধরিয়ে দিলেন জামায়াতের সংসদ সদস্য ডা. মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দিন ফরিদ।
গতকাল সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) নিয়ে বক্তব্য দেন আইনমন্ত্রী। তার বক্তব্য শেষে যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দিন ফরিদ পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে দুটি বিষয়ে সংশোধনী দেন।
আইনমন্ত্রীর বক্তব্য প্রসঙ্গে ডা. ফরিদ বলেন, তিনি (আইনমন্ত্রী) বলেছেন যে পিজি হাসপাতালে উন্নত মানের ডাক্তার নাই। আমি মনে করি- এটা ঠিক না। আমি একটা উদাহরণ দেবো- যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পাঁচ হাজার জুলাইযোদ্ধাকে বিদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তখন আমরা লন্ডনের মুরফিল্ডস আই হসপিটাল- যেটা দুনিয়ার এক নম্বর চক্ষু হাসপাতাল হিসেবে পরিচিত- সেখান থেকে আমরা ডাক্তার নিয়ে আসছিলাম। তারা এখানে এসে আমাদের যে ন্যাশনাল আই ইনস্টিটিউট (এনআইইউ) সেখানে যতো রোগীর চিকিৎসা হয়েছে তার মধ্যে ৩০০ রোগীর ফাইল তারা পরীক্ষা করেছিলেন এবং আমি সেটার কোঅর্ডিনেটর ছিলাম।
তারা ভূঁয়সী প্রশংসা করেছেন; আমাদের ডাক্তার যারা আগস্ট এবং জুলাইয়ে এসব চোখের ভেতর বুলেট চলে যাওয়া রোগীদেরকে এসব জটিল অপারেশন করেছেন- তারা সেটা করেছেন। এটার রেকর্ড আমাদের কাছে আছে, এনআইইউতে সেটা ডকুমেন্টেড আছে।
ডা. ফরিদ বলেন, অতএব আমি মনে করি- যারা সিংগাপুর বা অন্যান্য জায়গায় চাকরি করেন সেই মানের এবং হয়তো তার থেকে অনেক ভালো মানের অনেক ডাক্তার আছেন।
আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের আরেকটি সংশোধনী দিয়ে জামায়াতের এই সংসদ বলেন, আমার দ্বিতীয় কথা যেটা- এদেশের সমস্ত হাসপাতাল তিনি (আইনমন্ত্রী) বলেছেন যে সরকারি হাসপাতালে এখানে কোনো ডোনেশন নেবার সুযোগ নাই। ২০১৮ সালে কিন্তু গেজেট করে সেখানে অপশন দেওয়া হয়েছে যে কমিউনিটি সাপোর্ট টিমের মাধ্যমে কেউ যদি এখানে চ্যারিটি দিতে চান সেখানে নেওয়ার সুযোগ আছে। এটা কোনো খয়রাতি টাকা না।
ডা. ফরিদ আরো বলেন, আমি যে হাসপাতালে এই বছর পর্যন্ত চাকরি করেছি সেখানে প্রতি বছর ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকা মানুষ কিন্তু ডোনেশন দেয়। দুনিয়ার বড় বড় হাসপাতালে সেখানে যদি কেউ কন্ট্রিবিউট করতে চায় তার সুযোগ আছে।
এসআরএস/ডিটিভি
আরও পড়ুন