Ad
Advertisement
Doctor TV

শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬


জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকাদান জোরদারে কর্মশালা

Main Image

সংগ্রহীত


জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে নিয়মিত সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)-এর আওতায় এইচপিভি টিকার শতভাগ আওতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঢাকায় বিভাগীয় অ্যাডভোকেসি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজধানীর মহাখালীর রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) মিলনায়তনে ঢাকা বিভাগীয় পরিচালকের (স্বাস্থ্য) উদ্যোগে এবং ইউনিসেফের অর্থায়নে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ছিল নিয়মিত ইপিআই কর্মসূচির সঙ্গে এইচপিভি টিকা কার্যক্রমের একীভূতকরণ আরও শক্তিশালী করা এবং মাঠপর্যায়ে এর কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

কর্মশালায় জানানো হয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী এখন থেকে সারাদেশে ১০ বছর বয়সী সব কিশোরীকে নিয়মিত টিকাদান সেশনের মাধ্যমে এক ডোজ এইচপিভি টিকা প্রদান করা হবে।

এর আগে ২০২৩ সালে ঢাকা বিভাগে এবং ২০২৪ সালে দেশের অন্যান্য বিভাগে বিশেষ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের এই টিকা দেওয়া হয়। বর্তমানে ১০ বছর বয়সী (১০ বছর ০ দিন থেকে ১০ বছর ১১ মাস ২৯ দিন পর্যন্ত) সব কিশোরী নিয়মিত টিকাদান কেন্দ্র থেকে এই টিকা গ্রহণ করতে পারবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ের টিকাদান কর্মীরা নিজ নিজ ওয়ার্ডের ১০ বছর বয়সী কিশোরীদের চিহ্নিত করে অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রের মাধ্যমে এক ডোজ এইচপিভি টিকা প্রদান নিশ্চিত করবেন। একই সঙ্গে ভ্যাক্স-ইপিআই অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন সম্পন্ন করে টিকা কার্ড ডাউনলোড এবং স্মার্ট হেলথ বিডি ও ই-ট্র্যাকার অ্যাপে তথ্য হালনাগাদ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

টিকার অপচয় রোধে সংশ্লিষ্ট টিকাদান কেন্দ্রে অন্তত দুজন বা তার বেশি কিশোরী উপস্থিত হলে ভায়াল খোলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কর্মশালায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রতিনিধি, সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং ঢাকা বিভাগের সিভিল সার্জনসহ স্বাস্থ্য খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

এ সময় অংশীজনরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের বিভিন্ন কৌশল উপস্থাপন করেন। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. জাহাঙ্গীর আলম।

আরও পড়ুন