




প্রাইভেট ট্রেইনিদের ভাতা বাতিল হচ্ছে না: বিসিপিএস
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশিক্ষণ ভাতা, ট্রেনিং পোস্টিং এবং প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি ও উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে বিসিপিএস-এর চারজন কাউন্সিলর যৌথভাবে এক বিবৃতিতে চিকিৎসকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিবৃতি প্রদানকারী কাউন্সিলররা হলেন— অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর, অধ্যাপক ডা. নুরুদ্দীন আহমেদ, অধ্যাপক ডা. লুৎফুল আজিজ এবং অধ্যাপক ডা. সেহেরিন ফরহাদ সিদ্দিকা।
কাউন্সিলররা জানান, সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে একটি নোটিশ জারি করার পর ট্রেইনিদের মাঝে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। মূলত, আর্থিক বরাদ্দ ও খরচের মধ্যে ভারসাম্য আনার লক্ষ্যে মন্ত্রণালয় বিসিপিএস-এর সম্ভাব্য উপকারভোগীর একটি আনুমানিক সংখ্যা জানতে চেয়েছিল। অতীতের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই এই প্রাথমিক সংখ্যাটি নির্ধারণ করা হয়। এটি কোনোভাবেই ভাতাপ্রাপ্তির যোগ্যতা বা সুযোগ সীমিত করার উদ্দেশ্যে করা হয়নি।
প্রশিক্ষণ কোথায় ও কীভাবে হবে কিংবা পোস্টিং সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে বিসিপিএস কাউন্সিলের এখনো কোনো চূড়ান্ত নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত হয়নি বলে বিবৃতিতে জানানো হয়। বর্তমান কাউন্সিল দায়িত্ব গ্রহণের পর বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করছে। সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের (Stakeholders) মতামত বিবেচনা করে একটি বাস্তবসম্মত, কার্যকর ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কাঠামো প্রণয়নের কাজ চলছে। চিকিৎসকদের আশ্বস্ত করে বলা হয়, প্রশিক্ষণের গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়—এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই।
বিসিপিএস-এর সাংগঠনিক কাঠামো (Organogram) এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় বর্তমানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয়ের পর্যায়ে রয়েছে। এই অবস্থায়, বিসিপিএস-এর নিজস্ব লেটারহেড এবং অফিসিয়াল মাধ্যম ব্যতীত অন্য কোনো তথ্যের ভিত্তিতে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে।
"বর্তমান সরকার বিশেষায়িত শিক্ষার প্রসারে সর্বোচ্চ আন্তরিক। স্বাস্থ্য খাতে আগামী অর্থবছরের বাজেট হবে ইতিহাসের সর্বোচ্চ এবং তা হবে সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের দৃশ্যমান পদক্ষেপ।"
— বিসিপিএস কাউন্সিলরবৃন্দ
আরও পড়ুন