Ad
Advertisement
Doctor TV

সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬


প্রধানমন্ত্রী ও জুবাইদা রহমানের নির্দেশনায় ঢামেকে চিকিৎসাধীন ডা. নাসিরকে দেখতে জেডআরএফ প্রতিনিধি দল

Main Image

প্রধানমন্ত্রী ও জুবাইদা রহমানের নির্দেশনায় ঢামেকে চিকিৎসাধীন ডা. নাসিরকে দেখতে জেডআরএফ প্রতিনিধি দল


শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে হামলার শিকার হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন গুরুতর আহত ডা. নাসির আহমদকে দেখতে গেছে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) একটি প্রতিনিধি দল। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমানের বিশেষ নির্দেশনায় এই প্রতিনিধি দল হাসপাতালে যান।


​রোববার (১৭ মে) বিকাল ৫টায় জেডআরএফের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনারের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি আহত চিকিৎসকের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তারা ডা. নাসিরের চিকিৎসায় সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।


​পরিদর্শনকালে অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার বলেন, বর্তমানে চিকিৎসকদের প্রতি সহিংসতা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। মানুষ ভুলে যাচ্ছে যে ডাক্তাররাও এই সমাজেরই অংশ—কারো ভাই বা বোন। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, রোগী সুস্থ হলে বলা হয় আল্লাহর রহমতে সুস্থ হয়েছে, আর রোগী মারা গেলেই সব দায় চিকিৎসকের ওপর চাপানো হয়।
​চিকিৎসকদের কর্মস্থলের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি জানান, সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে এবং প্রত্যেক উপজেলা ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আনসার সদস্য নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে শুধু নিরাপত্তা বাড়ালেই হবে না, মানুষের মানসিকতারও পরিবর্তন প্রয়োজন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, রোগী সুরক্ষা আইন ও চিকিৎসক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে এবং তা দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।


​দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার চিত্র তুলে ধরে ডা. ডোনার বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেড সংখ্যা মাত্র ১৭০০ হলেও প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ হাজার রোগী চিকিৎসা নেয়। উপজেলা হাসপাতালগুলোতেও সীমিত বেডের বিপরীতে অতিরিক্ত রোগী থাকে। এই বাস্তবতায় চিকিৎসকদের ওপর প্রচণ্ড চাপ থাকে, যা সাধারণ জনগণের বোঝা উচিত।
​উল্লেখ্য, গত ১৫ মে (বৃহস্পতিবার) শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে একজন হৃদরোগে আক্রান্ত মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক ডা. মো. নাসিরকে সন্ত্রাসীরা গুরুতর জখম করে।


​প্রতিনিধি দলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী মো. মাহবুব আলম, অধ্যাপক ডা. আবুল কেনান, ডা. পারভেজ রেজা কাকন, অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম, সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম কাগজী, কৃষিবিদ শফিউল আলম দিদার, সাংবাদিক সাঈদ খান, প্রকৌশলী উমাশা উমায়ন মনি চৌধুরী, ডা. খালেকুজ্জামান দিপু, ডা. সৈয়দ ইমতিয়াজ উদ্দিন সাজিদ, ডা. আশফাক নবী কনক, ডা. আমিরুল ইসলাম পাভেল, ডা. জুবায়ের আবেদিন জিসান, ডা. সুমন, ডা. মেশকাত, ডা. শুভ ও ডা. রাসেল।

আরও পড়ুন