Ad
Advertisement
Doctor TV

শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬


সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেনের মা জেবুন্নেছা আর নেই

Main Image

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেনের মা জেবুন্নেছা আর নেই


মাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের মা বেগম জেবুন্নেছা মারা গেছেন। আজ বুধবার (৬ মে) ভোর ৫টা ৩৮ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।
 

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, মরহুমার জানাজা বাদ আছর ময়মনসিংহের ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে গুলকিবাড়ি কবরস্থানে মরহুমার স্বামী মরহুম জাফর আলী সরকারের কবরের পাশে দাফন করা হবে।
 

বেগম জেবুন্নেছা পেশায় শিক্ষক ছিলেন। তিনি ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৪৪ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি ২ পুত্র ও ২ কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন, গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। 

পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে সবার কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

 

বেগম জেবুন্নেছার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, ‘বেগম জেবুন্নেছার মৃত্যুতে তার শোকবিহব্বল পরিবারের মতো আমিও গভীরভাবে সমব্যাথী। শিক্ষক হিসেবে পেশাগত দায়িত্ব পালনে তিনি ছিলেন নীতিপরায়ণ। বেগম জেবুন্নেছা একজন আদর্শ মহিলা হিসেবে তার সন্তানদের সুশিক্ষিত ও প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন।’ 
 

বিএনপি মহাসচিব বেগম জেবুন্নেছার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারবর্গ, আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

 

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের মা বেগম জেবুন্নেছার মৃত্যুতে শোক, মরহুমার আত্মার মাগফিরাত ও স্বজনদের ধৈর্য ধারণের দোয়া করেছেন জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান, এমপি।
 

এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, ‘একজন শিক্ষক হিসেবে তিনি সমাজে ও রাষ্ট্রে শিক্ষাক্ষেত্রে যে অবদান রেখে গেছেন, তা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা মরহুমাকে ক্ষমা ও রহম করুন এবং তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন। তাঁর গুনাহখাতাগুলোকে ক্ষমা করে দিয়ে নেকিতে পরিণত করুন। কবর থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রত্যেকটি মঞ্জিলকে তাঁর জন্য সহজ, আরামদায়ক ও কল্যাণময় করে দিন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁকে জান্নাতে উচ্চ মাকাম দান করুন। মরহুমার শোকাহত পরিবার-পরিজন, আত্নীয়স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের আল্লাহ তায়ালা উত্তম ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করুন। আমিন।’

আরও পড়ুন