Ad
Advertisement
Doctor TV

রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬


রিপোর্টারের নাম : জাকারিয়া হাবিব পাইলট
শনিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬

সকল ওষুধের দাম সরকারের নীতি অনুসারে নির্ধারিত হবে

Main Image

ওষুধের দাম নির্ধারণ করবে সরকার, কোম্পানি নিজে ঠিক করতে পারবে না


বাজারে থাকা সকল ওষুধের দাম সরকারের নীতি অনুসারে নির্ধারিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান। বলেন, ‘কোনো কোম্পানি নিজে কোনো ওষুধের দাম ঠিক করে তা বাজারে বিক্রি করতে পারবে না।,

বৃহস্পতিবার (০৮ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।

অধ্যাপক সায়েদুর রহমান জানিয়েছেন, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকার বাইরে থাকা ওষুধের দামও সরকারের নীতি অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। কোনো কোম্পানি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ১৫ শতাংশ কম বা বেশি মূল্যে ওষুধ বিক্রি করতে পারবে না। কোনো কোম্পানি নিজে কোনো ওষুধের দাম ঠিক করে তা বাজারে বিক্রি করতে পারবে না। এছাড়া প্রতিটি ওষুধ কোম্পানিকে উৎপাদনের ২৫ শতাংশ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা থেকে রাখতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, অত্যাবশ্যকীয় ২৯৫টি ওষুধের দাম সরকার নির্ধারণ করবে এবং এটি দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে। কোম্পানিগুলোকে সরকার নির্ধারিত মূল্যে এই ওষুধ বিক্রি করতে হবে।

এ বিষয়ে ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, ‘অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্য সরকার নির্ধারণ করবে। এই পদক্ষেপ বাংলাদেশের মানুষের ওষুধ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অনেক বড় প্রভাব ফেলবে।’ তিনি জানান, সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে ওষুধ বিক্রি করতে হবে কোম্পানিগুলোকে।

আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হবে বলেও জানান প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী।

বিশেষ সহকারী বলেন, ‘একটা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছিল। যারা ওষুধ তৈরি ও বিপণনের সঙ্গে জড়িত সব স্টেক হোল্ডারের সঙ্গে তারা আলোচনা করেছে। ড্রাগ প্রাইস অথোরিটি হিসেবে কাজ করবে। পর্যায়ক্রমে এটা অথোরিটি হয়ে ওঠবে। ফলে ওষুধ প্রাপ্তিতে বাধাগুলো কেটে যাবে।’

সায়েদুর রহমান বলেন, দেশের মানুষের স্বাস্থ্যব্যয়ের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ওষুধের ওপরই চলে যায়। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সরকারের মধ্যেও এ নিয়ে উদ্বেগ ছিল। মানুষের কাঁধ থেকে ওষুধের ব্যয়ের বোঝা কমানোর জন্য সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বলেন, সবকিছু আন্তর্জাতিক স্বীকৃত রীতিনীতি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা মেনে করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ওষুধ কোম্পানিগুলোকে মূল্য সমন্বয়ের জন্য চার বছরের সময় দেওয়া হবে। যাদের দাম কম, তারা বাড়াবে, যাদের বেশি, তারা ক্রমান্বয়ে কমাবে।

আরও পড়ুন