Ad
Advertisement
Doctor TV

সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬


সেন্টমার্টিনে স্বাস্থ্যসেবা কেমন?

Main Image

সেন্টমার্টিন


অথৈ সাগরে বিষাদের বাতাস। অসহ্য বেদনার পাথর বুকে নিয়ে, না ফেরার দেশে যাওয়া মায়ের অপেক্ষায় শিশু তাহমিনা। তাইতো বেদনার সব রং যেন নীল হয়ে মিশেছে ওই সমুদ্রে। কী সেই বেদনা?

কিন্তু কেন তার মেয়ের এই অকালে চলে যাওয়া? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সরেজমিনে যায় ডক্টর টিভির একটি টিম।

সরেজমিনে দিয়ে দেখা গেল, স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে দুর্ভোগ পোহানো স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে এক ধরনের ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। বিশেষ করে যারা নিজেদের স্বজন হারিয়েছেন চিকিৎসার অভাবে তাদের মনে রয়েছে চাপা ক্ষোভ।

দেশের মানচিত্রে সর্ব দক্ষিণের বিন্দু সেন্টমার্টিন। চোখ ধাঁধানো এই সৌন্দর্য্যের মোড়কে এখানকার জীবন বড়ই কঠিন,কখনো বা নির্মম। বিনা চিকিৎসায় প্রাণহানি এখানে যেন অলিখিত নিয়ম।

দেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন এই দ্বীপে একটি হাসপাতাল থাকলেও নেই সরকারি কোনো চিকিৎসক ও রোগ নির্ণয়ের যন্ত্র। তাই স্বল্প সময়ের সফরে এলেও কখনো কখনো চরম বেকায়দায় পড়ে যান পর্যটকরাও। আর চরম বাস্তবতা মেনে নিয়ে বাঁচতে হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের।

প্রায় ১০ হাজার মানুষের স্থায়ী বসবাস এই দ্বীপে। তাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে হাসপাতালের আধুনিকায়ন ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করার দাবি স্থানীয়দের।

মধ্যদুপুর কিংবা মাঝরাতে যেখানে কোলাহল হয়ে ওঠে কান্নার রোল। চোখের সামনে প্রিয়জন বিয়োগের বাস্তবতার কাছে অসহায় আত্মসমর্পনের দিন কবে শেষ হবে? সেই ভাবনায় সেন্টমার্টিন দ্বীপের হাজার হাজার মানুষ।

আরও পড়ুন