Back to home

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি

আপনি নিশ্চয়ই জানেন, বিশ্বে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হার্ট অ্যাটাক। কিন্তু আপনি হয়তো জানেন না, স্ট্যাটিন ওষুধ হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি খুব একটা কমায় না।

ড

ডেস্ক রিপোর্ট

August 23, 2026

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি
ছবি: সংগৃহীত

হৃদরোগ এখনো বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রম, কোলেস্টেরল, রক্তচাপ ও মানসিক চাপ—সবকিছুই হৃদ্স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। যুক্তরাষ্ট্রের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জ্যাক উলফসন মনে করেন, হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে শুধু কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের দিকে নজর দিলে হবে না; বরং প্রতিদিনের জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস, মানসিক সুস্থতা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষাকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে ডা. উলফসন বলেন, আপনি নিশ্চয়ই জানেন, বিশ্বে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হার্ট অ্যাটাক। কিন্তু আপনি হয়তো জানেন না, স্ট্যাটিন ওষুধ হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি খুব একটা কমায় না। তার মতে, স্ট্যাটিন ওষুধ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে পারে। তবে শুধু কোলেস্টেরল কমলেই একজন ব্যক্তির সামগ্রিক হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি খুব কমে যায়—এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখে স্বল্প সময়ের উচ্চমাত্রার ব্যায়াম
আরও পড়ুন হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখে স্বল্প সময়ের উচ্চমাত্রার ব্যায়াম

কোলেস্টেরলের বাইরে নজর দেওয়ার পরামর্শ

ডা. উলফসন হৃদ্স্বাস্থ্যকে আরও বিস্তৃত দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন। তার মতে, কেন মানুষের হার্ট অ্যাটাক হচ্ছে, সেই মূল কারণগুলো চিহ্নিত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে কী খাওয়া হচ্ছে, কীভাবে জীবনযাপন করা হচ্ছে এবং মানসিকভাবে কী অবস্থায় থাকা হচ্ছে—এসব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ।

২৫ বছরের বেশি সময় ধরে হৃদরোগ চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত উলফসন মনে করেন, প্রচলিত হৃদরোগ মূল্যায়নে অনেক সময় সাধারণ কোলেস্টেরল পরীক্ষাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়। তার মতে, একজন ব্যক্তির খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক সক্রিয়তা, জীবনযাপনের ধরন এবং মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়গুলোও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, প্রচলিত পদ্ধতি অনেক রোগীর ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত ফল দিতে ব্যর্থ হয়, কারণ এতে অনেক সময় রোগের মূল কারণগুলো যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয় না।

যাদের জন্য নিরাপদ নয় ড্রাগন ফল
আরও পড়ুন যাদের জন্য নিরাপদ নয় ড্রাগন ফল

দীর্ঘমেয়াদি হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্য তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম, জীবনযাপনে শৃঙ্খলা এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। পাশাপাশি উপযুক্ত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাও গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

Share

আরও জানুন

ত্বকে আঁচিল কি বড় কোনো রোগের লক্ষণ?
স্বাস্থ্য

ত্বকে আঁচিল কি বড় কোনো রোগের লক্ষণ?

দীর্ঘদিন ধরে এই পরিস্থিতিকে অবহেলা করলে তা শরীরে একাধিক জটিল রোগের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

ডেস্ক রিপোর্ট 27 Sep
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা: কখন জরুরি চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন?
স্বাস্থ্য

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা: কখন জরুরি চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন?

অধিকাংশ মানুষের ক্ষেত্রেই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা প্রাথমিক অবস্থায় তীব্র আকার ধারণ করে না। সঠিক সময়ে সুশৃঙ্খল জীবনযাপন এবং সাধারণ চিকিৎসায় এটি দ্রুত নিরাময় সম্ভব।

ডেস্ক রিপোর্ট 27 Sep
বিদেশি দামি ফলের পরিবর্তে বহুগুণ পুষ্টি পাবেন যে ফলে
স্বাস্থ্য

বিদেশি দামি ফলের পরিবর্তে বহুগুণ পুষ্টি পাবেন যে ফলে

স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার মানেই যে বিদেশি বা দামি হতে হবে, এমন নয়। আমাদের হাতের কাছে থাকা পরিচিত পেয়ারা হতে পারে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকার অন্যতম সেরা পুষ্টিকর বিকল্প।

ডেস্ক রিপোর্ট 26 Sep
স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পরও পেট ফাঁপার কারণ
স্বাস্থ্য

স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পরও পেট ফাঁপার কারণ

একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দিনে প্রায় ৩০ গ্রাম ফাইবার খাওয়া প্রয়োজন, যা ধাপে ধাপে পূরণ করা ভালো।

ডেস্ক রিপোর্ট 26 Sep