Ad
Advertisement
Doctor TV

রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬


শত শত কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

Main Image

ছবি: সংগৃহীত


দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে কেনা চিকিৎসা সরঞ্জাম দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত পড়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, গত দেড় দশকে স্বাস্থ্যখাতে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হলেও অপরিকল্পিত ক্রয়, দুর্নীতি ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে এসব বিনিয়োগের কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যায়নি।

 

আজ শনিবার (১ আগস্ট) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ১৫ বছরে স্বাস্থ্যখাতে শত শত কোটি টাকার চিকিৎসা যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে। কিন্তু সঠিক পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের অভাবে এসব সরঞ্জামের বড় একটি অংশ এখনো ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

 

তিনি আরও বলেন, দেশের কোনো কোনো হাসপাতালে ১০ বছর আগে কেনা যন্ত্রপাতি এখনো প্যাকেটবন্দি অবস্থায় পড়ে আছে। আবার কোথাও আধুনিক যন্ত্র থাকলেও তা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষিত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নেই। কোনো কোনো ক্ষেত্রে যন্ত্রপাতি সচল থাকলেও রিএজেন্ট কিংবা এক্স-রে প্লেটের মতো প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাবে সেগুলো ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে না।

 

ড. মুহিত বলেন, শুধু নতুন ভবন নির্মাণ কিংবা একের পর এক মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করলেই দেশের স্বাস্থ্যখাতের বিদ্যমান সংকটের সমাধান হবে না। এজন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিকল্পনা, দক্ষ জনবল এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনা।

 

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীর তুলনায় চিকিৎসকের সংখ্যা এখনো পর্যাপ্ত নয়। তাই স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে কার্যকর করতে দ্রুত চিকিৎসক, নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগের উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি বর্তমানে যেসব অবকাঠামো ও চিকিৎসা সরঞ্জাম রয়েছে, সেগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

 

চিকিৎসকরা একা আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পারেন না মন্তব্য করে তিনি বলেন, চিকিৎসক, নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টের সমন্বয়ে কার্যকর টিম গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে কেনা যন্ত্রপাতি যাতে যথাযথভাবে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়েও পরিকল্পনা থাকতে হবে।

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজেও বেসিক সায়েন্সের শিক্ষক সংকট রয়েছে। এ সংকটের কারণে চিকিৎসা শিক্ষার মানও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

আরও পড়ুন