




সংগ্রহীত
প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ ৭২ বছর পর এক ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করলো কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল (সিপিএইচ)। হাসপাতালের ক্যাথ ল্যাবে প্রথমবারের মতো সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে পারকিউটেনিয়াস করোনারি ইন্টারভেনশন (পিসিআই) বা করোনারি এনজিওপ্লাস্টি। ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসে এটিকে একটি যুগান্তকারী অধ্যায় হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
রোববার (৫ জুলাই) পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসেন এ তথ্য জানান।]
তিনি বলেন, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবদুল ওয়াদুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগের একজন পুলিশ সদস্যের হৃৎপিণ্ডে সফলভাবে এনজিওপ্লাস্টি সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন এবং তার অবস্থা স্থিতিশীল।
তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে এ সেবা চালু হওয়ার মাধ্যমে হৃদরোগ চিকিৎসায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো। এখন থেকে বাংলাদেশ পুলিশের সব সদস্য এবং তাদের পরিবার আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক হৃদরোগ চিকিৎসা ও জরুরি কার্ডিয়াক ইন্টারভেনশন সেবা আরও দ্রুত ও সহজে নিতে পারবেন। কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির সংযোজন, দক্ষ জনবল গঠন ও বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে উন্নত ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
করোনারি এনজিওপ্লাস্টি হলো হৃৎপিণ্ডের সরু বা বন্ধ রক্তনালী খোলার একটি চিকিৎসা। ডাক্তাররা একটি সরু নলের মাথায় ছোট বেলুন লাগিয়ে তা রক্তনালীতে প্রবেশ করান। বেলুনটি ফুলিয়ে ব্লক বা বাধাটি সরিয়ে দেওয়া হয়। রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সেখানে সাধারণত 'স্টেন্ট' (জালের মতো ছোট নল) বসানো হয়। হৃদযন্ত্রে পর্যাপ্ত রক্ত না পৌঁছালে বুকে ব্যথা ও অস্বস্তি হয়। এটি বুকের ব্যথা কমায় এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়।
আরও পড়ুন