Ad
Advertisement
Doctor TV

শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬


প্রতি হাজারে জন্মায় ২০ হৃদরোগী শিশু:তাদের চিকিৎসা সহজ করতে ‘চাইল্ড হার্ট ট্রাস্ট’-এর বড় পদক্ষেপ

Main Image

প্রতি হাজারে জন্মায় ২০ হৃদরোগী শিশু:তাদের চিকিৎসা সহজ করতে ‘চাইল্ড হার্ট ট্রাস্ট’-এর বড় পদক্ষেপ


বাংলাদেশে জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুদের উন্নত চিকিৎসা হাতের নাগালে পৌঁছে দিতে এবার আন্তর্জাতিক মানের একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘চাইল্ড হার্ট ট্রাস্ট বাংলাদেশ’ (সিএইচটি)। একই সঙ্গে রোগটি দ্রুত শনাক্ত ও চিকিৎসার সুবিধার্থে সরকারের সঙ্গে মিলে একটি ‘জাতীয় গাইডলাইন’ তৈরিরও পরিকল্পনা করছে তারা।


​শুক্রবার রাজধানীর মিরপুরে ট্রাস্টের ১২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী (যুগপূর্তি) অনুষ্ঠানে এসব আশাজাগানিয়া পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়। বরাবরের মতোই এই বিশেষ দিনটিতেও ‘ফ্রি ফ্রাইডে ক্লিনিক’-এর মাধ্যমে হৃদরোগে আক্রান্ত অসংখ্য শিশুকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, ফলোআপ ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়।


​অনুষ্ঠানে সিএইচটি-এর প্রেসিডেন্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসর) অধ্যাপক ডা. নুরুন্নাহার ফাতেমা বলেন, এত বছর ধরে নিজেদের পকেটের টাকা, যাকাত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুদানে ট্রাস্টটি চলেছে। এবার আমাদের লক্ষ্য একটি স্থায়ী হাসপাতাল করা। সরকার যদি কোনো পরিত্যক্ত ভবন বা জায়গা ব্যবহারের সুযোগ দেয়, তবে এমন একটি হাসপাতাল গড়া সম্ভব যেখানে সচ্ছল রোগীদের টাকায় দরিদ্র পরিবারের শিশুদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে জটিল অস্ত্রোপচার ও চিকিৎসা দেওয়া যাবে।


​তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, দেশে বড়দের হৃদরোগ সচেতনতার কারণে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও জন্মগত শিশুহৃদরোগীর সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। উন্নত বিশ্বে গর্ভাবস্থার ১১-১২ সপ্তাহেই এই রোগ শনাক্ত করা গেলেও আমাদের দেশে রোগীরা আসে একেবারে শেষ মুহূর্তে, যখন পরিস্থিতি জটিল হয়ে যায়। সরকারের শিশুস্বাস্থ্য কর্মসূচিতে (আইএমসিআই) জন্মগত হৃদরোগকে অন্তর্ভুক্ত করা হলে গ্রাম ও ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীরাই শুরুতে রোগ ধরে দ্রুত বিশেষায়িত হাসপাতালে পাঠাতে পারতেন, যা হাজারো শিশুর প্রাণ বাঁচাত।

 

আরও পড়ুন