Ad
Advertisement
Doctor TV

রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬


উচ্চ রক্তচাপের ওষুধে পৃথক বাজেট বরাদ্দের আহ্বান স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের

Main Image

উচ্চ রক্তচাপের ওষুধে পৃথক বাজেট বরাদ্দের আহ্বান স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের


বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় অ্যান্টি-হাইপারটেনসিভ ওষুধের নিরবচ্ছিন্ন প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে পৃথক বাজেট বরাদ্দ এবং ওষুধ সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণের আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্যখাতের নীতিনির্ধারক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। 

৪ জুন ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)-এর ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স এবং নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ (এনসিডি) সেন্টারের উদ্যোগে আয়োজিত এক উচ্চ পর্যায়ের রাউন্ড টেবিল আলোচনায় এ দাবি জানানো হয়।

 সভায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ২ কোটি ২৮ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত, যাদের মধ্যে প্রায় ৪৮ শতাংশই রোগটি সম্পর্কে অবগত নন এবং মাত্র ১৬ শতাংশের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই নীরব ঘাতক ব্যাধিটির কারণে প্রতিবছর দেশে বিপুল সংখ্যক মানুষ হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনি রোগ ও অকাল মৃত্যুর শিকার হচ্ছেন।

 অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে কেবল চিকিৎসানির্ভর কাঠামো থেকে বের করে এনে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায় রূপান্তরের ওপর জোর দেন। একই সাথে বিশেষ অতিথি স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মোঃ কামরুজ্জামান চৌধুরী এবং অন্যান্য বক্তারা উল্লেখ করেন যে, উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় সামান্য বিঘ্নও অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এই সংকট মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞরা উচ্চ রক্তচাপের ওষুধের জন্য পৃথক বাজেট লাইন প্রতিষ্ঠা, এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল)-এর উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, কেন্দ্রীয় ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থা চালু এবং স্থানীয় ওষুধ শিল্পে গবেষণা ও উন্নয়নে (R&D) দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জোর সুপারিশ করেন।

 বক্তাদের মতে, ওষুধের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা কেবল স্বাস্থ্যখাতের সাধারণ কোনো বিনিয়োগ নয়, বরং হাজারো মানুষের জীবন রক্ষা এবং হৃদরোগজনিত অকাল মৃত্যু কমানোর একটি অত্যন্ত কার্যকর ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ।

আরও পড়ুন