




স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার সুপারিশ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খানের নেতৃত্বে স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সদস্যবৃন্দ আজ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং কমিশনের প্রতিবেদন বাস্তবায়নের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
বৈঠকে কমিশনের সদস্যরা দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা (Primary Health Care) শক্তিশালীকরণ ও এর কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বৃদ্ধি করার জোরালো অনুরোধ জানান। তারা উল্লেখ করেন: একটি শক্তিশালী প্রাথমিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলে রোগের চাপ ও চিকিৎসা ব্যয় যেমন কমবে, তেমনই তৃতীয় পর্যায়ের (Tertiary) হাসপাতালগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।
আলোচনায় জানানো হয়, এই প্রতিবেদনে চিকিৎসক, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, গবেষক ও স্বাস্থ্যকর্মীসহ বিভিন্ন পেশাজীবীদের মতামত প্রতিফলিত হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্থায়ী কমিটির পক্ষ থেকে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ ও সুপারিশের অনেক বিষয়ই এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
কমিশনের বিভিন্ন সুপারিশের সাথে বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক ইশতেহারেরও উল্লেখযোগ্য মিল রয়েছে— বিশেষ করে স্বাস্থ্যখাত সংস্কার, ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থা, জবাবদিহিতা, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা এবং সেবার মানোন্নয়নের বিষয়ে।
কমিশনের সদস্যরা জানান, দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার রূপান্তরে তারা ভবিষ্যতেও সরকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছেন।
উল্লেখ্য, দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে গত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় এই 'স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন' গঠন করা হয়েছিল এবং কমিশন ইতোমধ্যে সরকারের কাছে তাদের চূড়ান্ত সুপারিশমালা জমা দিয়েছে।
আরও পড়ুন