Ad
Advertisement
Doctor TV

মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬


বরিশালে হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে অব্যবস্থাপনার প্রমাণ পেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Main Image

বরিশালে হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে অব্যবস্থাপনার প্রমাণ পেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী


বরিশালের বিভিন্ন হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা, দালালচক্র আর অপরিচ্ছন্নতার প্রমাণ পেয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
 

সোমবার (১১ মে) বরিশাল জেনারেল হাসপাতাল, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও একই চিত্র পেয়েছেন। একসময়ে কর্তব্য অবহেলায় এক কর্মচারীকে ক্লোজড করা হয়।
 

মন্ত্রী বলেন, সবার সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারেরর লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আমরা যাচ্ছি। আজকে আমি বরিশালে আসলাম। বরিশালের সম্পর্কে অনেক কথা শুনেছি। আমি সরাসরি দেখতে আসলাম। আমি জেনারেল হাসপাতাল, শিশু হাসপাতাল ও শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেছি।
 

তিনি বলেন, জেনারেল হাসপাতালে একজন স্টাফ অনুপস্থিত পেয়েছি যাকে আমি ক্লোজ করেছি। ক্লোজ করতাম না। কিন্তু মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে। না এসে বলেছে যে আসছে। মিথ্যা কথার জন্য ওকে ক্লোজ করেছি। আমি রোগীদের সঙ্গে কথা বলেছি। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ পেয়েছি, রোগীরা সকালে হাসপাতালে আসলেও বর্হি:বিভাগে ডাক্তার আসেন দেরিতে। এটা আমি লুক আফটার করতেছি। দ্বিতীয় যেটা খারাপ, সেটা হলো এখানে স্থানীয় ক্লিনিকগুলোর কিছু দালাল। দালালরা এসে এখান থেকে রোগীদের নিয়ে যায়। এই দালালদের গ্রেপ্তার করার জন্য আমি এখানে গোয়েন্দা নজরদারি করার জন্য বলেছি এবং প্রয়োজনে যত দালাল আসবে সব গ্রেপ্তার করা হবে। চতুর্থত হাসপাতালের ভেতরে অনেক ময়লা, আবর্জনা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। আমি নির্দেশনা দিয়েছি, আগামীকালের মধ্যে হাসপাতালটি পরিচ্ছন্ন করার জন্য।
 

জনবল সংকটের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, চিকিৎসাখাতে আমরা এক লাখ জনবল নিয়োগ করতে যাচ্ছি। গত ১৭ বছরের দুঃশাসন আমাদের হাতে কোনো টাকা পয়সা দিয়ে যায়নি। বিল্ডিং করেছে জনবল নেই, ডাক্তার নিযুক্ত করেনি। এগুলো একদিনে সমাধান করা যাবে না। আমরা চেষ্টা করছি সমস্যা সমাধানের। হাম-রুবেলা মোকাবিলা করতে আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। একটা ভ্যাকসিন আমাদের হাতে ছিল না। বর্তমান সরকার দ্রুততার সঙ্গে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করে ক্যাম্পেইন শুরু করেছি। ভ্যাকসিন দেওয়ার পরে আমাদের রোগীর সংখ্যাও কমে এসেছে।
 

হাসপাতাল পরিদর্শনে মন্ত্রীর সঙ্গে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক, সিভিল সার্জন, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন