
বগুড়ায় এনডিএফ এর হাম বিষয়ক বৈজ্ঞানিক সভার আয়োজন
একটি জনগোষ্ঠীর রোগ প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্যনিরাপত্তার জন্য 'হার্ড ইম্যুনিটি' গড়তে হলে কমপক্ষে ৯৫% শিশুকে টিকার আওতায় আনতে হবে। স্বাস্থ্যবিভাগের স্থায়ী টিকা কেন্দ্রগুলোতে নিয়মিত (যেমন- শজিমেকহা, মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল বগুড়া) এবং স্যাটেলাইট ক্লিনিকসমূহে নির্দিষ্ট দিবসে ৬ মাস থেকে ৫ বছর পর্যন্ত শিশুদের এই টিকা প্রদান করা হবে।
বুধবার, বগুড়ায় হাম রোগের প্রাদুর্ভাব কমানো, টিকা দান ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ), বগুড়ার এক বৈজ্ঞানিক সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে অর্থোপেডিক্স সার্জন ডা. মো: সেলিম রেজার সঞ্চালনায় এনডিএফ সভাপতি, শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো: লিয়াকত আলীর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনডিএফ বগুড়া'র উপদেষ্টা অধ্যাপক আ স ম আব্দুল মালেক।
বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. নাজমুল ইসলাম নাহিদ। প্যানেল অব এক্সপার্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শওকত জামিল, শিশুরোগ ও নবজাতক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো: নজরুল ইসলাম এবং শিশুসার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. এস এম নূর-ই-শাদীদ। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন এনডিএফ বগুড়া'র সেক্রেটারি, শিশু সার্জন ডা. মাহাবুব রহমান সরকার।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শজিমেক সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. সলিমুল্লাহ আকন্দ, শিশু সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. মুহাম্মদ মিজানুর রহমান শিবলী, নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ ডা. মাহফুজুল হক মামুন, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুসা আল মনসুর, চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. মুহাম্মদ ইবরাহিম, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো: আজিজুল হাকিম বাপ্পা প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন আগামি ১০ মে পর্যন্ত দেশব্যাপী চলমান হাম-রুবেলা টিকা কার্যক্রম সফল করার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়। জ্বর ও গায়ে লাল র্যাশ উপসর্গ নিয়ে আগত শিশুদের দ্রুত আইসোলেশন ও সঠিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। সভায় হাম সংক্রমন প্রতিরোধে স্বাভাবিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেয়া হয়, যেমন- মাস্ক ব্যবহার করা, হাঁচি-কাশির নিয়ম মেনে চলা, সাবান পানি দিয়ে হাত ধোয়া, পুষ্টিকর খাদ্যগ্রহণ এবং শিশুদের ১ম ৬ মাস কেবল বুকের দুধ খাওয়ানো।
আরও পড়ুন