




মুমেক অধ্যক্ষকে বদলি, ১৩ দিনেও যোগদানপত্র গ্রহণ করেনি ঢামেক
মুগদা মেডিকেল কলেজের (মুমেক) সদ্য সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোস্তাফিজুর রহমানকে বদলির পর ১৩ দিনেও যোগদানপত্র গ্রহণ করা হয়নি।
মঙ্গলবার তাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করে মাতুয়াইল শিশু ও মাতৃ-স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।২০২৪ সালে অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের পেডিয়াট্রিক্স বিভাগে কর্মরত ছিলেন। সে সময়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অংশগ্রহণ ও অর্থ সরবরাহের অভিযোগ তোলে সরকারপন্থী চিকিৎসকরা। এ অভিযোগে ১৮ জুলাই অধ্যাপক পদ থেকে পদাবনতি দিয়ে স্ট্যান্ড রিলিজ আকারে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে রাঙামাটি মেডিকেল কলেজে বদলি করা হয়। ব্যাপক সমালোচনার পর ওই বছরের ১১ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার সেই বদলি আদেশ বাতিল করে।
সোমবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-১ শাখা থেকে যুগ্মসচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাকে ওএসডি করা হয়। এর আগে গত ৩০ মার্চ এক আদেশে অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানকে মুমেক অধ্যক্ষ থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের পেডিয়াট্রিক্স বিভাগে বদলি করা হয়েছিল।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অধ্যাপক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০১১ ও ২০১৩ সালে প্রমোশন বঞ্চিত হয়েছেন। পরবর্তীতে ২০২১ সালে সহযোগী অধ্যাপক হিসেব পদোন্নতির একদিন পরেই সেই পদোন্নতি আদেশ বাতিল করা হয়।
অধ্যাপক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি মুগদা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। কোন কারণ ছাড়াই মাত্র দুই মাস ২০ দিনের মাথায় অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানকে অধ্যক্ষের পদ থেকে সরিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজে অধ্যাপক হিসেবে পদায়ন করা হয়। কিন্তু তিনি পহেলা এপ্রিল মুগদা মেডিকেল কলেজ থেকে রিলিজ নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজে যোগদানপত্র জমা দিলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ তার যোগদান গ্রহণ করেনি। আবারও ১৩ দিনের মাথায় তাকে ওএসডি করে মাতুয়াইল হাসপাতালে সংযুক্ত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন