
অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এ পাওয়া যাচ্ছে -"ছোটদের ফার্স্ট এইড" বইটি
মাঝে মাঝে রাস্তায় চলাফেরার সময় আমরা দেখি পথচারীর খিঁচুনি হচ্ছে। আমরা সবাই মিলে গোল হয়ে দেখতে থাকি। কেউ কেউ চামড়ার জুতা তার নাকে ধরি। দাঁত লেগে গেলে মুখে আঙ্গুল দিয়ে দাঁত ছুটাতে যাই। এগুলো কোনটিই কিন্তু বিজ্ঞানসম্মত নয়। আবহমানকাল ধরে এগুলো চলে আসছে। তাই আমরা করি।
খাবার খাওয়ার সময় শ্বাসনালীতে খাবার আটকে গিয়ে মারা যাওয়ার ঘটনা কিন্তু বেশ কমন। সে সময় মাথা ঠান্ডা রেখে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে পারলে মৃত্যু রোধ করা সম্ভব।
কেউ পানিতে ডুবে গেলে তাকে তুলে এনে মাথার চারপাশে ঘুরানো হয়। এতে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। জরুরি চিকিৎসা শেখা থাকলে ডুবন্ত ব্যক্তিকে সাহায্য করা যায়।
এ বইটিতে প্রায় ৫০টির মত জরুরি চিকিৎসা পদ্ধতি সম্বন্ধে আলোচনা করে হয়েছে। শিশুদের জন্য উপযোগী করে লেখা হয়েছে। সহজপাঠ্য বলে সহজেই শিশুরা জটিল চিকিৎসা পদ্ধতি শিখে ফেলতে পারবে।আমাদের শিশুদের যদি জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা শেখানো যায় তাহলে তারা জরুরি চিকিৎসার কুসংস্কারগুলো ভাংতে পারবে।বিজ্ঞানসম্মত জরুরি চিকিৎসা পদ্ধতিগুলো জানা থাকলে শিশুরাই চিকিৎসক হিসেবে অনেকের প্রাণ রক্ষা করতে পারবে।
অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এ পাওয়া যাচ্ছে -ছোটদের ফার্স্ট এইড।এই বইটি সবার ঘরে রাখা উচিত। কিংবা থাকা উচিৎ ব্যাকপ্যাকে।১১ টি অধ্যায়ে এই বইটিতে তুলে ধরেছি ফার্স্ট এইড চিকিৎসার এটুজেড।
আরও পড়ুন