
ইরানে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ‘প্রি অ্যাম্পটিভ’ হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশগুলোর গণমাধ্যম।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে এ হামলার পর ইসরায়েলজুড়ে ‘বিশেষ ও স্থায়ী জরুরি অবস্থাও’ জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।
কাতারভিত্তিক আল জাজিরা জানিয়েছে, তাদের প্রতিবেদকরা ইরানের রাজধানী তেহরানের একাধিক জায়গায় বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছে এবং ধোঁয়া দেখতে পেয়েছে।
মার্কিন এক কর্মকর্তা আল-জাজিরাকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ এক সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবেই ইসরায়েল ইরানে হামলা চালিয়েছে।
ইরানে মার্কিন বাহিনীও হামলা চালাচ্ছে বলে মার্কিন তিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে সিএনএন। কেবল সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করেই এ হামলা হচ্ছে, এবং হামলার আওতা ‘ছোট নয়’, বলেছেন এক কর্মকর্তা।
মধ্যপ্রাচ্যে গত কয়েক মাসে বিপুল পরিমাণ যুদ্ধযান মোতায়ন করেছে ওয়াশিংটন। তাদের দুটি বিমানবাহী রণতরীও এখন ওই অঞ্চলে অবস্থান করছে। আছে কয়েকশ যুদ্ধবিমান, ডেস্ট্রয়ার, অ্যাটাক হেলিকপ্টারসহ অনেক কিছু।
তেহরানে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কার্যালয়ের আশপাশে হামলা হয়েছে। রাজধানীর উত্তরের সৈয়দ খানদান এলাকায়ও হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানি বার্তা সংস্থা তাসনিম।
তবে,খামেনি এখন তেহরানে নেই এবং তাকে নিরাপদ এক স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে এক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স
সিএনএন ও ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেট বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করেই ইসরায়েল এ হামলা চালিয়েছে।
তেহরানের বিস্ফোরণের পর ইসরায়েল ও ইরান উভয়ই তাদের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।
ইরানের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার পাল্টায় তারাও পাল্টা ‘সর্বনাশা’ হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
“আমরা তোমাদের সতর্ক করেছিলাম। কিন্তু তোমরা এমন পথে যাত্রা করেছো, যার পরিণতি আর তোমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে না,” সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমনটাই লিখেছেন ইরান পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি।
আরও পড়ুন