বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং জমে থাকা পানি অপসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বুটেক্স উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিন বলেন, ডেঙ্গুতে প্রাণ হারানো এক কর্মীর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আমি গভীর সমবেদনা জানাই। তিনমাসব্যাপী জাতীয় সচেতনতা কর্মসূচির অংশ হিসেবে ক্যাম্পাসেও এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। মশার প্রজনন বন্ধ করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজেদের অফিস কক্ষ থেকেই পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করতে হবে।

বুটেক্সের মেডিকেল অফিসার ড. পারভিন সুলতানা বলেন, ‘বাংলাদেশে ডেঙ্গু মারাত্মক আকার ধারণ করায় প্রতিরোধের জন্য সবাইকে পরিবার ও কর্মক্ষেত্র থেকে সচেতনতা শুরু করতে হবে। মশার বংশবৃদ্ধি রোধে বাসা-বাড়ি ও কাজের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি টব বা ফুলদানির জমে থাকা পানি দুই-তিন দিন পর পর পরিবর্তন করতে হবে। মশার কামড় থেকে বাঁচতে ফুল হাতা পোশাক পরা, ফাঁকা চামড়ায় মসকিউটো রিপেমেন্ট ব্যবহার করা এবং রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি ব্যবহার করা উচিত।’
বুটেক্সের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ শরীফুর রহমানের সঞ্চালনায় এই কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন বুটেক্স উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিন, রেজিস্ট্রার ড. রাশেদা বেগম দিনা, মেডিকেল অফিসার ড. পারভীন সুলতানা, টেক্সটাইল ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন ড. মো. আহসান হাবীব, রসায়ন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. নারগিস জাহান আরা এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. রেজাউল হক। এ সময় তারা ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ক্যাম্পাসের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

উল্লেখ্য, বক্তব্য শেষে উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ফগিং কার্যক্রম ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং সংক্ষিপ্ত র্যালির মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।