wcm
Back to home

যেসব অভ্যাস পরিবর্তনে কিডনি ভালো থাকে

নিয়মিত পানি পান, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা, ডায়াবেটিস পরীক্ষা এবং শরীরচর্চার মতো কিছু অভ্যাস কিডনির কার্যক্ষমতা ঠিক রাখতে সহায়তা করতে পারে।

ডেস্ক রিপোর্ট

August 20, 2026

যেসব অভ্যাস পরিবর্তনে কিডনি ভালো থাকে
ফাইল ফটো

কিছু অভ্যাস কিডনি সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। নিয়মিত পানি পান, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা, ডায়াবেটিস পরীক্ষা এবং শরীরচর্চার মতো কিছু অভ্যাস কিডনির কার্যক্ষমতা ঠিক রাখতে সহায়তা করতে পারে। কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি কমাতে কী কী অভ্যাস করা ও এড়িয়ে চলা উচিত, তা নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন নেফ্রোলজিস্টরা।

যেসব অভ্যাস থাকা উচিত

কিডনি বিকল হওয়া বা কিডনিসংক্রান্ত জটিলতার ঝুঁকি কমাতে কিছু বিষয় নিয়মিত করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এগুলো হলো—

নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা: উচ্চ রক্তচাপ কিডনির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে। তাই নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করে তা নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।

পেটে তীব্র ব্যথা হলে কখন সতর্ক হবেন?
আরও পড়ুন পেটে তীব্র ব্যথা হলে কখন সতর্ক হবেন?

নিয়মিত শরীরচর্চা: সপ্তাহে প্রায় ১২০ মিনিট ব্যায়াম করার পরামর্শ দেন তারা।

ডায়াবেটিস পরীক্ষা: নিয়মিত ডায়াবেটিস পরীক্ষা এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা কিডনি সুস্থ রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

এ ছাড়া প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে কিংবা শরীরের কোনো অংশে অস্বাভাবিক ফোলা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কথাও জানান তারা।

অতিরিক্ত ওষুধ সেবনে সতর্কতা

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অতিরিক্ত ওভার-দ্য-কাউন্টার বা প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া ওষুধ সেবন না করার পরামর্শও দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। কোনো ওষুধ কেন প্রয়োজন, তা না জেনে নিয়মিত সেবন করলে এর পরিবর্তে আরও উপযুক্ত চিকিৎসা বা ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে।

কিডনির জন্য পানি কতটা উপকারী?

খালি পেটে সাদা মাখন খাওয়া উপকারী নাকি ক্ষতিকর?
আরও পড়ুন খালি পেটে সাদা মাখন খাওয়া উপকারী নাকি ক্ষতিকর?

বিশেষজ্ঞরা বলেন, পর্যাপ্ত পানি পান করলে কিডনির কার্যকারিতা ভালো থাকে এবং রক্তের রাসায়নিক ভারসাম্য ও ইলেকট্রোলাইট নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। প্রতিদিন কতটা পানি পান করা উচিত—এমন প্রশ্নের জবাবে চিকিৎসকরা প্রায় আড়াই লিটার পানি পান করার পরামর্শ দেন। তবে খাবারের মাধ্যমে শরীরে যে পানি প্রবেশ করে, তার বাইরে এই পরিমাণ পানি পান করার পরামর্ম দেন তারা।

সাধারণ পানি নাকি ইলেকট্রোলাইটযুক্ত পানি—কোনটি বেশি উপকারী, এমন প্রশ্নের জবাবে চিকিৎসকরা বলেন, অধিকাংশ মানুষের জন্য সাধারণ পানিই যথেষ্ট। এমনকি শরীরচর্চা করলেও বেশির ভাগ মানুষের এমন মাত্রায় ব্যায়াম করা হয় না, যাতে অতিরিক্ত ইলেকট্রোলাইট প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয়। তবে কারও ইলেকট্রোলাইটযুক্ত পানি পান করতে ভালো লাগলে এবং এর মাধ্যমে পানি পান করার পরিমাণ বাড়লে তা গ্রহণ করা যেতে পারে। শর্ত হলো, রক্ত পরীক্ষায় কিডনির কার্যকারিতা স্বাভাবিক থাকতে হবে।

কিডনি সুস্থ রাখতে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

কিডনি সুস্থ রাখতে মানুষের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ কী— এর জবাবে বিশেষজ্ঞরা বলেন, অনেক রোগীর মধ্যেই পরে অনুশোচনা দেখা যায়। তারা নিয়মিত চিকিৎসকের কাছে ফলোআপ করেননি, নিজের স্বাস্থ্যের দায়িত্ব যথাযথভাবে নেননি কিংবা নিয়মিত ওষুধ সেবন করেননি। অনেকে আবার নিজের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে চিকিৎসকের কাছে যথেষ্ট প্রশ্নও করেননি।

তাদের মতে, নিজের রোগ ও শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকলে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থাপনাও যথাযথভাবে করা সম্ভব হয় না। তাই কিডনি সুস্থ রাখতে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণ, ওষুধ যথাযথভাবে সেবন এবং নিজের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

Share
wcm

আরও জানুন

পেটব্যথা হলে যেসব ভুল করা যাবে না
স্বাস্থ্য

পেটব্যথা হলে যেসব ভুল করা যাবে না

পেটব্যথা হলেই অনেকে গ্যাস বা অ্যাসিডিটির সমস্যা মনে করে নিজে থেকেই অ্যান্টাসিড কিংবা ঘরোয়া উপায়ে চিকিৎসা শুরু করেন। দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের সমস্যা চলতে থাকলে এর পেছনে গুরুতর কোনো পরিপাকতন্ত্রের রোগ রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা জরুরি।

ডেস্ক রিপোর্ট 2 ঘণ্টা আগে
গর্ভাবস্থায় প্রথম ৩ মাসের করণীয়-বর্জনীয়
স্বাস্থ্য

গর্ভাবস্থায় প্রথম ৩ মাসের করণীয়-বর্জনীয়

গর্ভাবস্থার প্রতিটি পর্যায়ে মায়ের পুষ্টি, শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক স্বাস্থ্যের চাহিদা কিছুটা ভিন্ন হয়। তাই প্রথম ত্রৈমাসিকে কিছু বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক থাকা জরুরি।

ডেস্ক রিপোর্ট 2 ঘণ্টা আগে
হেপাটাইটিস রোগী হিসেবে স্বাভাবিক জীবনযাপন সম্ভব?
স্বাস্থ্য

হেপাটাইটিস রোগী হিসেবে স্বাভাবিক জীবনযাপন সম্ভব?

হেপাটাইটিস রোগী হিসেবে স্বাভাবিক জীবনযাপন সম্ভব? হেপাটাইটিস রোগী হিসেবে স্বাভাবিক জীবনযাপন সম্ভব?

1 মি 6 ঘণ্টা আগে
৩৫ বছরের পর পুরুষের প্রজননক্ষমতা কমার কারণ
স্বাস্থ্য

৩৫ বছরের পর পুরুষের প্রজননক্ষমতা কমার কারণ

চিকিৎসকদের মতে, পুরুষদের ক্ষেত্রে এই পরিবর্তন ধীরে ধীরে শুরু হলেও ৪০ থেকে ৪৫ বছর বয়সের মধ্যে তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

ডেস্ক রিপোর্ট 23 ঘণ্টা আগে