টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি ওষুধ কেলেঙ্কারির ঘটনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করেছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে স্বাস্থ্য বিভাগের যুগ্ম-সচিব ডা. মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল হাসপাতাল পরিদর্শনে যান। তারা সেখানে স্টোর থেকে ওষুধ গ্রহণ, ফার্মেসিতে জমা, বিতরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত হিসাবসহ সংশ্লিষ্ট সকল নথিপত্র পর্যালোচনা করেন।
তদন্ত কমিটির প্রধান ডা. মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের বলেন, তদন্ত চলমান রয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেয়া হবে।

এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, ওষুধ কেলেঙ্কারির ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত পিকআপ চালক আজমতের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হাসপাতালের স্টোর কিপার মীর মোহাম্মদ সেলিমকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ২৬ আগস্ট রাতে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেয়াদোত্তীর্ণ বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধ যমুনা নদীতে ফেলার সময় পিকআপ চালককে আটক করেছেন স্থানীয়রা। পরে পিকআপসহ চালককে ভূঞাপুর থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

আটক পিকআপ চালক আজমতের দাবি, পিকআপ ভর্তি ওষুধগুলো টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা সরকারি হাসপাতালের। এর আগেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফেলে দেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি দাবি করেন, সে সময় ঘাটাইলের বনাঞ্চলের গভীরে নিয়ে ওষুধগুলো ফেলে দিয়েছিলেন। এবারও একইভাবে ওষুধগুলো ফেলে দেওয়ার জন্য তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।