সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাসেবাকে আরও কার্যকর ও জনগণের কাছে সহজলভ্য করতে আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাসেবা তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্ত। কিন্তু প্রয়োজনীয় প্রচার ও যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে এ সেবা অনেকটা উপেক্ষিত।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আপনাদের সব দাবি একদিনে আদায় করে দেওয়ার ওয়াদা আমি দেব না। তবে ওয়াদা দিচ্ছি, আপনাদের ন্যায্য দাবির লড়াইয়ে আমি আপনাদের সঙ্গে থাকব। আপনারা লড়াই চালিয়ে যাবেন, আমি আপনাদের একজন সহযোদ্ধা হিসেবে এই লড়াইয়ে অংশগ্রহণ করব।
তিনি আরও বলেন, আপনাদের সবচেয়ে বড় দাবি হওয়া উচিত— এ সেবার জন্য একটি আইন তৈরি করা। আইনের ভিত্তি যখন দাঁড়াবে, তখন বাকি জিনিসগুলো একে একে চলে আসবে। একদিনে আসুক কিংবা সময় লাগুক, এগুলো ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

সরকারের সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ঘোষণার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিদিন যেসব রোগী এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন, তারাও দেশের জনগণের অংশ। তাই তাদের জন্য যথাযথ মনোযোগ ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
হাসপাতালে ওষুধ সংকটের কথা উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতেও ওষুধ নিয়ে রোগীদের সংকট রয়েছে, তবে এখানে সমস্যাটি আরও প্রকট। এ সংকট সমাধানে একটি সুস্পষ্ট ও স্থায়ী নীতিমালা প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই ছোট্ট অগ্রগতির জন্য সরকারি অনুদানের প্রয়োজন হবে না। ইনশাআল্লাহ, আগামী শনিবারের মধ্যে আপনাদের হাতে অর্থ পৌঁছে যাবে। আপনারা নিজেদের মতো করে এর ব্যবস্থা করে নেবেন। ছোট্ট একটি অগ্রগতি দিয়ে শুরু হোক, বাকিটা আল্লাহ চাইলে সামনে হবে।