দেশের সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে চালু হয়েছে বায়োমেট্রিক হাজিরা পদ্ধতি।
আজ সোমবার (১৭ আগস্টের) থেকে এই নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। এর আগে, গত ৪ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক নোটিশে ১৭ আগস্টের মধ্যে দেশের সকল সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে বায়োমেট্রিক হাজিরা ব্যবস্থা সচল করে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
বায়োমেট্রিক হাজিরা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে দায়ী করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল নোটিশে।
স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয় থেকে এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপস্থিতির রেকর্ডের সঙ্গে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের বেতন, ছুটি ও পদোন্নতির মতো বিষয়গুলোকে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ দিকে গত মাসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পরিদর্শনের সময় কর্মকর্তা ও চিকিৎসকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে বায়োমেট্রিকের পাশাপাশি জিওফেন্সিং (কর্মীর অটোমেটিক উপস্থিতির ভার্চুয়াল সীমানা) ও অন্যান্য ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে আলোচনা হয়।

সভায় প্রধানমন্ত্রী বায়োমেট্রিক হাজিরা, জিওফেন্সিং এবং ডিজিটাল তদারকির সমন্বয়ে একটি ‘সমন্বিত উপস্থিতি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি’ চালুর নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে সব সরকারি হাসপাতালের প্রতিদিনের হাজিরা কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য একটি ‘রিয়েল-টাইম ড্যাশবোর্ড’ তৈরির নির্দেশনাও দেন। এরপরই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়নের তাগিদ দেওয়া হয়।