নিয়মিত ও সঠিক নিয়মে এলাচ খেলে আপনার শরীরের মেটাবলিজম বৃদ্ধি পাবে এবং তা দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করবে। কারণ এলাচে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ডিটক্সাইফাইং উপাদান, যা আপনার শরীরের ক্ষতিকর টক্সিন বের করে চর্বি গলানোর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে থাকে।
তবে আপনি মনে রাখবেন, শুধু এলাচ খেলেই রাতারাতি ওজন কমবে না। কারণ এটি মূলত আপনার সুষম খাদ্যতালিকা ও ব্যায়ামের পরিপূরক বা অনুঘটক হিসেবে কাজ করে থাকে। আর ওজন কমাতে আপনি মূলত চারটি উপায়ে এলাচ খেতে পারেন। প্রথমত এলাচ ভেজানো পানি। প্রতিদিন অতিরিক্ত এলাচ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। দিনে ১-২টি এলাচ বা খুব সামান্য পরিমাণ গুঁড়ো খাওয়াই যথেষ্ট, অন্যথায় হজমে বড় ধরনের সমস্যা হতে পারে। এলাচ খাওয়ার পাশাপাশি মিষ্টি ও চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করুন। সেই সঙ্গে দৈনিক অন্তত ৩০ মিনিট শারীরিক কসরত বা হাঁটাব অভ্যাস রাখুন।

প্রণালি
এক গ্লাস পানিতে ৩-৪টি এলাচ সামান্য থেঁতো করে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। এরপর সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে সেই পানিটি হালকা গরম করে বা সরাসরি পান করুন।
১. এলাচ ফোটানো চা প্রণালি
দুই গ্লাস পানিতে ৭-৮টি এলাচ দানা দিয়ে ৫ মিনিটের মতো ফুটিয়ে নিন। যতক্ষণ না পানি অর্ধেক হয়ে আসছে। এরপর মেদ ঝরানোর জন্য এই মিশ্রণটি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে কুসুম কুসুম গরম অবস্থায় পান করুন।
২. এলাচ গুঁড়ো ও কুসুম গরম পানি প্রণালি
এলাচ হালকা ভেজে গুঁড়ো করে একটি পাত্রে সংরক্ষণ করুন। এরপর প্রতিদিন এক চিমটি এলাচ গুঁড়ো এক গ্লাস কুসুম গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে পান করুন। এটি হজমপ্রক্রিয়া উন্নত করে পেট ফাঁপা বা গ্যাসের সমস্যা দূর করে থাকে, যা পরোক্ষভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৩. মসলার মিশ্রণ ও খাবারে ব্যবহার প্রণালি
ওজন কমানোর জন্য স্যুপ, ওটস বা কম ক্যালোরির খাবারের স্বাদ বাড়াতে এলাচ গুঁড়ো ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়া দারুচিনি, হলুদ বা আদার সাথে এলাচ মিশিয়ে ভেষজ মসলা তৈরি করে তরকারিতে যোগ করলে তা আপনার শরীরের শক্তি ব্যয় বা ক্যালোরি বার্ন করতে সাহায্য করে।