Back to home

ফলেও রয়েছে সুগার! ডায়াবেটিস নিয়ে ফল খাওয়ার নিয়ম

ডায়াবেটিসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো পরিমাণ, মোট কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ এবং ব্যক্তিভেদে শরীরের প্রতিক্রিয়া। তাই নিজের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে এবং চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ মেনে ফল খাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

ডেস্ক রিপোর্ট

September 10, 2026

ফলেও রয়েছে সুগার! ডায়াবেটিস নিয়ে ফল খাওয়ার নিয়ম
ফাইল ছবি

ডায়াবেটিস ধরা পড়লেই অনেকের প্রথম সিদ্ধান্ত হয়—ফল খাওয়া বন্ধ। কিন্তু পুষ্টিবিদদের মতে, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে গিয়ে ফল পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং কোন ফল কতটা পরিমাণে এবং কীসের সঙ্গে খাচ্ছেন, তার উপর অনেকটাই নির্ভর করে খাবারের পর রক্তে শর্করার ওঠানামা। ফলের সঙ্গে প্রোটিন, ফাইবার বা স্বাস্থ্যকর ফ্যাটযুক্ত খাবার রাখলে হজম ও শর্করা শোষণের গতি কিছুটা ধীর হতে পারে।

কলা

পাকা কলায় প্রাকৃতিক শর্করা থাকে। তাই একসঙ্গে বেশি না খেয়ে পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভালো। কলার সঙ্গে সামান্য দারচিনি যোগ করার পরামর্শ অনেকেরই জানা। তবে দারচিনি খেলে যে রক্তে শর্করা বেড়ে যাওয়া নিশ্চিত ভাবে ঠেকবে, এমন প্রমাণ নেই। তাই মূল বিষয় হল পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ এবং নিজের রক্তে শর্করার প্রতিক্রিয়া নজরে রাখা।

সিদ্ধ ডিম কতোক্ষণ ভালো থাকে?
আরও পড়ুন সিদ্ধ ডিম কতোক্ষণ ভালো থাকে?

আম

আমের মিষ্টি স্বাদের কারণে ডায়াবেটিস রোগীদের অনেকেই এটি এড়িয়ে চলেন। কিন্তু পরিমিত পরিমাণে আম খাওয়া যেতে পারে। আমের সঙ্গে কুমড়োর বীজের মতো প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার রাখলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকতে পারে।

তরমুজ

তরমুজে পানির পরিমাণ বেশি হলেও এতে প্রাকৃতিক শর্করা রয়েছে। তাই একসঙ্গে বড় বাটি তরমুজ না খেয়ে অল্প পরিমাণে খাওয়া ভালো। সঙ্গে কিছু বীজ বা বাদাম রাখলে খাবারে ফাইবার, প্রোটিন ও ফ্যাট যোগ হয়।

সবেদা

মিষ্টি ফল হওয়ায় সবেদা খাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ভাবে পরিমাণের দিকে নজর দেওয়া দরকার। অল্প পরিমাণ সবেদার সঙ্গে কয়েকটি আখরোট খেতে পারেন। এতে খাবারে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও কিছু প্রোটিন যোগ হবে।

ঘুম থেকে উঠার পর যেসব ভুলে লিভার নষ্ট হয়
আরও পড়ুন ঘুম থেকে উঠার পর যেসব ভুলে লিভার নষ্ট হয়

খেজুর

খেজুরে প্রাকৃতিক চিনি যথেষ্ট বেশি। তাই ডায়াবেটিস থাকলে একসঙ্গে অনেকগুলি না খেয়ে অল্প পরিমাণে খাওয়াই ভালো। কয়েকটি কাঠবাদামের সঙ্গে খেলে খাবারে ফ্যাট ও প্রোটিন যোগ হয় এবং তৃপ্তিও বাড়ে। ডায়াবেটিসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো পরিমাণ, মোট কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ এবং ব্যক্তিভেদে শরীরের প্রতিক্রিয়া। তাই নিজের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে এবং চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ মেনে ফল খাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

 

Share

আরও জানুন

নারীদের জন্য পুরুষ ডাক্তার দেখানোর ইসলামী বিধান কী?
স্বাস্থ্য

নারীদের জন্য পুরুষ ডাক্তার দেখানোর ইসলামী বিধান কী?

পুরুষ ডাক্তার যখন কোনো নারী রোগীকে পরীক্ষা করবেন, তখন ঘরে একাকী থাকা যাবে না। সেখানে অবশ্যই রোগীর স্বামী, কোনো মাহরাম পুরুষ (যাদের সঙ্গে বিবাহ হারাম) অথবা কোনো বিশ্বাসযোগ্য নারী (অন্য কোনো নারী স্বজন বা নারী নার্স) উপস্থিত থাকতে হবে। এতে করে ইসলামের নিষিদ্ধ নির্জনবাস বা ‘খিলওয়াত’ থেকে মুক্ত থাকা নিশ্চিত হয়।

ডেস্ক রিপোর্ট 9 Sep
ব্লাড ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ কী কী?
স্বাস্থ্য

ব্লাড ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ কী কী?

কিছু রক্তের ক্যানসার চিকিৎসার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, কিছু ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ রেমিশন সম্ভব হয় এবং কিছু রোগ দীর্ঘমেয়াদি অবস্থায় পরিণত হতে পারে। রোগের ধরনভেদে চিকিৎসার ফলও আলাদা।

ডেস্ক রিপোর্ট 9 Sep
হার্ট ভালো রাখতে কোন কাতে ঘুমাবেন?
স্বাস্থ্য

হার্ট ভালো রাখতে কোন কাতে ঘুমাবেন?

সব হার্টের রোগীর জন্য নির্দিষ্ট কোনো একটি ঘুমের ভঙ্গি সেরা নয়। ব্যক্তির হৃদরোগের ধরন, শ্বাসকষ্ট ও অন্যান্য উপসর্গের ওপর বিষয়টি নির্ভর করে। যে অবস্থায় স্বস্তিতে এবং কোনো ধরনের শ্বাসকষ্ট ছাড়াই ঘুমানো যায়, সেটিই সাধারণত সবচেয়ে ভালো।

ডেস্ক রিপোর্ট 9 Sep
সিদ্ধ ডিম কতোক্ষণ ভালো থাকে?
স্বাস্থ্য

সিদ্ধ ডিম কতোক্ষণ ভালো থাকে?

অবশ্যই ডিম সিদ্ধ করার পর দুই ঘণ্টার মধ্যে ফ্রিজে রাখতে হবে। ফ্রিজে রাখার পরও সাত দিনের বেশি সংরক্ষণ না করাই নিরাপদ। খোসা থাকুক বা না থাকুক, এই সময়সীমা একই। তাই সপ্তাহের জন্য একসঙ্গে ডিম সিদ্ধ করে রাখার অভ্যাস থাকলে সাত দিনের হিসাব অবশ্যই মনে রাখুন।

ডেস্ক রিপোর্ট 9 Sep