চিকিৎসকদের বদলি ও পদায়নে অটোমেশন পদ্ধতি চালু করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। নতুন এ পদ্ধতিতে পছন্দ, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ৮৭ জন চিকিৎসককে পদায়ন করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এ পদ্ধতির উদ্বোধন করেন। এ সময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায় এ পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এতে ব্যক্তিগত পরিচয়, রাজনৈতিক বিবেচনা কিংবা অন্য কোনো প্রভাব খাটানোর সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, অটোমেশন পদ্ধতির কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করে ভবিষ্যতে পুরো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে এ ব্যবস্থার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকার এ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন করতে চায়।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বর্তমানে প্রায় ৪০ হাজার চিকিৎসক কর্মরত রয়েছেন। নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চিকিৎসকদের বদলি ও পদায়ন করা হলেও অতীতে, বিশেষ করে ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে- দলীয়করণ, দুর্নীতি ও অনিয়ম হয়েছে। যোগ্য ব্যক্তিদের যথাযথ মূল্যায়ন না করে দলীয় বিবেচনায় পদায়নের কারণে স্বাস্থ্যব্যবস্থা সংকটে পড়েছিল।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ ন ম বজলুর রশিদ, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব এ কে এম বেনজামিন রিয়াজী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হোসেন এবং ডক্টর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিলসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।