চিকিৎসাবিজ্ঞানে এবার নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তিন বিজ্ঞানী। তারা হলেন- যুক্তরাষ্ট্রের কার্ল ডাইসেরথ এবং জার্মানির পিটার হেগেমান ও গেয়র্গ নাগেল। ‘আলোক-নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেল ও অপটোজেনেটিকস’ আবিষ্কারের জন্য ২০২৬ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই পুরস্কার লাভ করেন তারা।
বাংলাদেশ সময় আজ সোমবার (০৫ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টায় সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট থেকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল জয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। আগামী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিদিন একে একে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতিতে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।
নোবেলজয়ী এই বিজ্ঞানীরা পাবেন একটি মেডেল, একটি সনদপত্র এবং মোট ১২ মিলিয়ন বা এক কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা।
মস্তিষ্কে স্নায়ুকোষ কীভাবে স্মৃতি, অনুভূতি ও আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে—তা বোঝার নতুন দিগন্ত উন্মোচনকারী ‘অপটোজেনেটিকস’ পদ্ধতির আবিষ্কার ও বিকাশের জন্য চিকিৎসাবিজ্ঞানে এবার নোবেল দেওয়া হয়। জীবন্ত মস্তিষ্কে আলো ব্যবহার করে নির্দিষ্ট স্নায়ুকোষ নিয়ন্ত্রণের এ পদ্ধতি নিউরোসায়েন্সে নতুন যুগের ভিত্তি তৈরি করেছে।

পিটার হেগেমান ও জর্জ নাগেল একটি এককোষী শৈবালের মধ্যে ‘চ্যানেলরোডোপসিন’ নামের এক প্রোটিন আবিষ্কার করেন। পরে কার্ল ডাইসেরথ ওই প্রোটিনকে স্নায়ুকোষের জন্য একটি আলোক-নিয়ন্ত্রিত সুইচে রূপান্তর করেন।
অপটোজেনেটিকস ব্যবহার করে গবেষকেরা স্নায়ুর বিশেষ সার্কিট উন্মোচন করতে সক্ষম হয়েছেন। এই সার্কিটগুলো নির্দিষ্ট স্মৃতি, অনুভূতি ও আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে, যা স্নায়বিক ও মানসিক রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।