স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, ঢাকার বাইরে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবার সুযোগ সীমিত থাকায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রোগীদের রাজধানীতে আসতে হচ্ছে। এটি জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার একটি কাঠামোগত দুর্বলতা। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে ঢাকার বিশেষায়িত ইনস্টিটিউটগুলোর মতো চিকিৎসাসেবা পর্যায়ক্রমে প্রতিটি বিভাগীয় শহরে গড়ে তোলা হবে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে ‘হামের বিস্তার ও জিনগত নজরদারি’ শীর্ষক কর্মশালা ও গবেষণা অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগ এবং আইসিডিডিআর,বি’র যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

স্বাস্থ্য খাতের জনবল সংকট মোকাবিলায় দ্রুত এক লাখ নতুন স্বাস্থ্য মাঠকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। একই সঙ্গে শিগগিরই পাঁচ হাজার নতুন চিকিৎসক এবং পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য খাতের জনবল কাঠামোকে ভারসাম্যপূর্ণ করতে চিকিৎসক, নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টের অনুপাত আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, বারডেম ও হলি ফ্যামিলির মতো স্বায়ত্তশাসিত কিন্তু সরকার-সমর্থিত ব্যবস্থাপনা মডেলকে স্বাস্থ্য খাতের জন্য কার্যকর বলে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. মো. নুরুল ইসলাম এবং আইইডিসিআরের পরিচালক ডা. কাজী আহমেদ জাকি। বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, চিকিৎসক ও গবেষকেরা উপস্থিত ছিলেন।