ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বৈজ্ঞানিক সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে আর্থ্রাইটিস ও পেশি-হাড়-জোড়াসংক্রান্ত রোগ নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, চিকিৎসার সর্বশেষ অগ্রগতি এবং ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
গতকাল সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে হাসপাতালের অধ্যাপক এস জি এম চৌধুরী সেমিনার হলে এ সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ এবং বাংলাদেশ সোসাইটি অব ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশনের (বিএসপিএমআর) যৌথ উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. এম এম জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি (গেস্ট অব অনার) ছিলেন বিএসপিএমআরের নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক মো. তাসলিম উদ্দিন।
ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সোহেল রানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন একই সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. কামরুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম ফারহাদ হোসেন, উপপরিচালক ডা. আশরাফ, মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হাসান হাফিজুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মিনহাজ ও ডা. আতিকুল্লাহ এবং বিএসপিএমআরের সাধারণ সম্পাদক ডা. এম এ কে আজাদ।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক জামান জানান, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের বহির্বিভাগে সপ্তাহের ছয় দিনে ছয়টি বিশেষায়িত ক্লিনিক চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এসব বিশেষায়িত সেবা সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া গেলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন বলে জানান তিনি।

গবেষণাপত্রগুলোর ওপর বিশেষজ্ঞ মতামত দেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মো. মনোয়ার আলী, শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. লুৎফান নেসা এবং রিউমাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. রাফিয়া আফরোজ।
সিম্পোজিয়ামে দুটি বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন এমডি রেসিডেন্ট চিকিৎসক ডা. আতিকুন্নেসা ও ডা. লুনা আক্তার। আতিকুন্নেসা তরুণ এক ব্যক্তির কোমর ও নিতম্বের ব্যথা নিয়ে এবং লুনা আক্তার ১২ বছর বয়সী এক কিশোরীর নিতম্ব, শ্রোণি ও মেরুদণ্ডের জটিল সমস্যা নিয়ে গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন।