বিসিএসে (স্বাস্থ্য) আবেদনের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৪ বছর নির্ধারণ করে সদ্য ঘোষিত ৫১তম বিসিএসের সংশোধিত সার্কুলার জারির দাবি জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। এছাড়া, নতুন পে-স্কেলের সমন্বয়পূর্বক রেসিডেন্সি, এফসিপিএস, ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের ভাতা বৃদ্ধিসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন তারা।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনে এসব দাবি জানানো হয়।
ডক্টরস মুভমেন্ট ফর জাস্টিসের (ডিএমজে) ব্যানারে আয়োজিত এ মানববন্ধনে রাজধানীর বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ, হাসপাতাল এবং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী ও চিকিৎসকরা অংশ নেন।

মানববন্ধনে চিকিৎসক নেতৃবৃন্দ বলেন, বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েও কর্তৃপক্ষ দাবি বাস্তবায়নে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে চিকিৎসকদের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ায় রাজপথই এখন তাদের অধিকার আদায়ের একমাত্র বিকল্প পথ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ডিএমজে নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আমাদের যৌক্তিক ও ন্যায্য দাবিকে উপেক্ষা করার পরিণাম কখনোই শুভ হবে না। স্বাস্থ্যসেবাকে জিম্মি করা আমাদের লক্ষ্য নয়, কিন্তু অধিকার কেড়ে নিয়ে তরুণ চিকিৎসকদের দাসত্বের শৃঙ্খলে বেঁধে রাখা যাবে না।

আন্দোলনকারীদের পাঁচ দফা দাবি হলো— বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ নির্ধারণ করে ঘোষিত ৫১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সংশোধিত সার্কুলার জারি, নতুন পে-স্কেলের সাথে সমন্বয়পূর্বক পূর্ববর্তী ছয় দফার সচিবিক প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ইন্টার্ন ও ট্রেইনি (রেসিডেন্সি, এফসিপিএস, ডিপ্লোমা) চিকিৎসকদের ভাতা অবিলম্বে বৃদ্ধি করা। পাশাপাশি, বিএমডিসি অ্যাক্ট-এর ২৯ ধারা কঠোরভাবে প্রয়োগ করে ভুয়া ডাক্তারদের দৌরাত্ম্য বন্ধে প্রতিমাসে অন্তত একবার দেশব্যাপী সাঁড়াশি মোবাইল কোর্ট পরিচালনার দাবি জানান তারা।

এছাড়া, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতীয় সংসদে অবিলম্বে ‘চিকিৎসক সুরক্ষা আইন’ পাসসহ এমবিবিএসের সকল পেশাগত পরীক্ষা এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের (ফেজ ‘এ’, ‘বি’ ফাইনাল, এফসিপিএস মিডটার্ম বা ফাইনাল) পরীক্ষায় আংশিক উত্তীর্ণ হওয়ার আইনি বিধান প্রণয়ন এবং ছয় দফার অবশিষ্টাংশ দ্রুত প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করা।