জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬- এর আলোকে অটোমেশন পদ্ধতিতে বেতন নির্ধারণ কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)।
আজ বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী তার কার্যালয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, অটোমেশন পদ্ধতিতে বেতন নির্ধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি মাইলফলক। এ ধরনের আধুনিক ও স্বচ্ছ উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাগজবিহীন কার্যক্রম আরও এগিয়ে যাবে এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হবে।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬ বাস্তবায়নের মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে আরও উৎসাহিত হবেন। একই সঙ্গে সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও পেনশনসংক্রান্ত জটিলতা কমবে এবং আর্থিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, চিকিৎসা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনায় শিক্ষক, চিকিৎসক, গবেষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। তাদের প্রাপ্য বেতন-ভাতা যথাযথভাবে নির্ধারণ ও সময়মতো পরিশোধ করা শুধু আর্থিক দায়িত্ব নয়, বরং তাদের শ্রম, মর্যাদা ও অবদানের প্রতি প্রাতিষ্ঠানিক সম্মান প্রদর্শন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) খন্দকার শফিকুল হাসান রতনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম এবং উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ গত ১৭ সেপ্টেম্বর গেজেট আকারে প্রকাশিত হয় এবং ৬ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে আইবাস এর মাধ্যমে সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়। তারই ধারাবহিকতায় বিএমইউ আইবাস লিংক এর সাথে সংযুক্ত করে পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) দপ্তরে চাহিদা অনুযায়ী আইটি সেলের সহযোগিতায় কাস্টমাইজ পদ্ধতির মাধ্যমে একটি কাঙ্খিত বেতন নির্ধারণী ২০২৬ এর অটোমেশন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক ব্যবস্থাপনা, আর্থিক শৃঙ্খলা, বেতন নির্ধারণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি এবং ন্যায্য প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।